দেশে জন্মের পর প্রতিটি শিশু ১০ ডিজিটের পরিচিতি নম্বর পেতে চলেছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে এই কাজ শুরু হবে। এই পরিচিতি নম্বরকে বলা হচ্ছে ইউনিক আইডি বা ইউআইডি। এটি হবে একই সঙ্গে জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয় বা এনআইডি, পাসপোর্ট, করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ আরো অনেক কিছুর নম্বর। জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ওই একটি নম্বরে চিহ্নিত হবেন দেশের একজন নাগরিক। তাকে আর একাধিক নম্বর মনে রাখতে হবে না।
ওই ইউনিক আইডি নম্বর বহাল রেখেই একটি শিশুর বয়স ১০ বছর পূর্ণ হলেই তাকে এনআইডি কার্ড দেওয়া হবে। ১০ বছর পূর্ণ না হলে একটি শিশুর আঙুলের ছাপসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক পূর্ণতা পায় না বলেই এনআইডি কার্ড পেতে তাকে অপেক্ষায় থাকতে হবে। তবে ইউনিক আইডি নম্বরের মাধ্যমে ১০ বছরের নিচের শিশুরা এনআইডির সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


















