০৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

না ফেরার দেশে আনিসুল হকের বাবা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাবা শরীফুল হক আর নেই (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্নাইলাহী রাজিউন)।

বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯৬ বছর। তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন আনিসুল হকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী এএসএম মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, “বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তাকে গত সপ্তাহে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।”

তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন।

মেয়র আনিসুল হক গত বছর লন্ডনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার বনানীর বাসা ছেড়ে আরেক ছেলে বেলালের সেনানিবাসের বাসায় থাকছিলেন তিনি।

পরে গত ৩০ নভেম্বর আনিসুল হক মারা গেলে তার একদিন পর ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল তাকে।

আনিসুল হকের মরদেহ দেশের আসার পর সেনানিবাস থেকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে ছেলেকে দেখতে বনানী এসেছিলেন তার বাবা।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কবিরহাটে জন্ম নেওয়া শরীফুল হক আনসার বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। তার অপর দুই ছেলে ইকবাল হক ও হেলাল হক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। ইকবাল চিকিৎসক এবং হেলাল যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন।

২০১৫ সালের ১৪ জুলাই বাবার জন্মদিনের কেক কাটার কয়েকটি ছবি ফেইসবুকে দিয়েছিলেন আনিসুল হক।

তিনি লিখেছিলেন, “আজ আমার বাবার ৯৪তম জন্মদিন। উনি অনেক কষ্ট করে আমাদের মানুষ করছেন, সরকারি চাকরি জীবনে কোনো দিন অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। সব সময় বলেছেন, আমাদের লেখাপড়া ছাড়া আর কোনো সম্পদ দিয়ে যেতে পারবেন না। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

না ফেরার দেশে আনিসুল হকের বাবা

প্রকাশিত : ০২:২০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হকের বাবা শরীফুল হক আর নেই (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্নাইলাহী রাজিউন)।

বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯৬ বছর। তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন আনিসুল হকের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী এএসএম মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, “বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে তাকে গত সপ্তাহে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।”

তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক প্রকাশ করেছেন।

মেয়র আনিসুল হক গত বছর লন্ডনে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার বনানীর বাসা ছেড়ে আরেক ছেলে বেলালের সেনানিবাসের বাসায় থাকছিলেন তিনি।

পরে গত ৩০ নভেম্বর আনিসুল হক মারা গেলে তার একদিন পর ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল তাকে।

আনিসুল হকের মরদেহ দেশের আসার পর সেনানিবাস থেকে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে করে ছেলেকে দেখতে বনানী এসেছিলেন তার বাবা।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কবিরহাটে জন্ম নেওয়া শরীফুল হক আনসার বাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। তার অপর দুই ছেলে ইকবাল হক ও হেলাল হক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। ইকবাল চিকিৎসক এবং হেলাল যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন।

২০১৫ সালের ১৪ জুলাই বাবার জন্মদিনের কেক কাটার কয়েকটি ছবি ফেইসবুকে দিয়েছিলেন আনিসুল হক।

তিনি লিখেছিলেন, “আজ আমার বাবার ৯৪তম জন্মদিন। উনি অনেক কষ্ট করে আমাদের মানুষ করছেন, সরকারি চাকরি জীবনে কোনো দিন অন্যায় ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। সব সময় বলেছেন, আমাদের লেখাপড়া ছাড়া আর কোনো সম্পদ দিয়ে যেতে পারবেন না। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।”