১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ-কোরিয়া পারস্পরিক সহযোগিতায় একমত

বৈশ্বিক গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা সাইমাউল উনদং, কোরিয়া-এর সভাপতি ড. এস ও জিন কং-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দফতরে তারা এ সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বি এ ই, ইউয়াং বং, পরিচালক সাইমাউল উনদং সেন্টার, কোরিয়া এবং সি এইচ ও জুংগো, ব্যবস্থাপক, সাইমাউল উনদং সেন্টার, কোরিয়া।

এ সময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব বেগম মাফরূহা সুলতানা ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহম্মদ মউদুদউর রশীদ সফদারসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

এ সময় মন্ত্রী আখতার হামিদ খান সিদ্দিকী প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বার্ড, কুমিল্লা মডেল-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য দূরীকরণ ও গ্রামীণ যোগাযোগ কার্যক্রমের বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা বার্ডই সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র ঋণের পদ্ধতি চালু করেছিল।

বার্ডের দ্বি-স্তর সমবায় পদ্ধতি দারিদ্র্য দূরীকরণে সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। মন্ত্রী দারিদ্র্য নির্মূলে ঋণের পরিবর্তে সঞ্চয়ী হিসেবে জনগণকে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন, গৃহহীন ও কর্মহীন মহিলারা সঞ্চয়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তায় পরিণত হয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে। মন্ত্রী বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন ও জীবনমান উন্নয়নের কার্যক্রমও তুলে ধরেন। কোরিয় প্রতিনিধিদলের প্রধান দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য দূরীকরণে ও গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে সাইমাউল উনদং সেন্টারের বিভিন্ন দিক ও সাফল্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, এ সংস্থাটি বিশ্বে ৪১টি দেশের সমন্বয়ে একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উন্নয়নশীল দেশসমূহের দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশে কুমিল্লা মডেল ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সুবিধাসমূহ উন্নয়নশীল দেশেও ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ-কোরিয়া পারস্পরিক সহযোগিতায় একমত

প্রকাশিত : ০৯:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮

বৈশ্বিক গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা সাইমাউল উনদং, কোরিয়া-এর সভাপতি ড. এস ও জিন কং-এর নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দফতরে তারা এ সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন-বি এ ই, ইউয়াং বং, পরিচালক সাইমাউল উনদং সেন্টার, কোরিয়া এবং সি এইচ ও জুংগো, ব্যবস্থাপক, সাইমাউল উনদং সেন্টার, কোরিয়া।

এ সময় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব বেগম মাফরূহা সুলতানা ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহম্মদ মউদুদউর রশীদ সফদারসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

এ সময় মন্ত্রী আখতার হামিদ খান সিদ্দিকী প্রতিষ্ঠিত কুমিল্লা বার্ড, কুমিল্লা মডেল-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য দূরীকরণ ও গ্রামীণ যোগাযোগ কার্যক্রমের বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা বার্ডই সর্বপ্রথম ক্ষুদ্র ঋণের পদ্ধতি চালু করেছিল।

বার্ডের দ্বি-স্তর সমবায় পদ্ধতি দারিদ্র্য দূরীকরণে সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। মন্ত্রী দারিদ্র্য নির্মূলে ঋণের পরিবর্তে সঞ্চয়ী হিসেবে জনগণকে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীন, গৃহহীন ও কর্মহীন মহিলারা সঞ্চয়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তায় পরিণত হয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে। মন্ত্রী বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায়ন ও জীবনমান উন্নয়নের কার্যক্রমও তুলে ধরেন। কোরিয় প্রতিনিধিদলের প্রধান দক্ষিণ কোরিয়ার গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য দূরীকরণে ও গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়নে সাইমাউল উনদং সেন্টারের বিভিন্ন দিক ও সাফল্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, এ সংস্থাটি বিশ্বে ৪১টি দেশের সমন্বয়ে একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উন্নয়নশীল দেশসমূহের দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশে কুমিল্লা মডেল ও একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সুবিধাসমূহ উন্নয়নশীল দেশেও ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান।