১০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফুটবলের স্বপ্নের একাদশে যারা আছেন

ব্যালন ডি’অর ড্রিম টিম ঘোষণা করেছে আয়োজক ফরাসি ফুটবল। স্বাভাবিকভাবেই সর্বকালের সেরা ফুটবল তারকাদের ভিড় সেখানে। 

১৪০ জন সাংবাদিক তাদের ভোটের মাধ্যমে ড্রিম টিম টি সাজিয়েছেন।

একইসঙ্গে ড্রিম টিম সেকেন্ড ও থার্ড ইলেভেনও প্রকাশ করা হয়েছে। যথারীতি এই দুটো দলেও সর্বকালের সেরা তারকাদের ভিড়।

স্বপ্নের একাদশে যারা আছেন:

লেভ ইয়াশিন
লেভ ইয়াশিনকে সর্বকালের সেরা গোলকিপার বলা হয়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের এই তারকা ক্যারিয়াজুড়ে খেলেছেন ৮০০’রও বেশি ম্যাচ। সেভ করেছেন ১৫০টিরও বেশি পেনাল্টি। ক্যারিয়ারে ৯ বার ইউরোপের সেরা গোলকিপার পুরষ্কার জেতেন ডায়নামো মস্কোয় খেলা এই ফুটবলার।

কাফু
ড্রিম টিমের রাইটব্যাক পজিশনে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুকে। ১৪২টি ম্যাচ খেলে ব্রাজিলের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার কাফু। ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলান ও রোমার হয়ে লিগ শিরোপা জিতেছেন কাফু। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপ জেতা কাফু খেলেছেন আরো একটি বিশ্বকাপ ফাইনাল। ১৯৯৮ সালে সেবার অবশ্য ফ্রান্সের কাছে হেরেছে তার দল।

ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার
স্বপ্নের একাদশের সেন্ট্রাল ব্যাকে রাখা হয়েছে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারকে। জার্মান এই কিংবদন্তি খেলতেন বায়ার্ন মিউনিখে। ১৯৭৪ সালে জিতেছেন বিশ্বকাপ। ডিফেন্ডার হয়েও ১৯৭২ ও ‘৭৬ সালে জিতেছেন ব্যালন ডি অর।

পাওলো মালদিনি
লেফটব্যাকে আছেন ইতালিয়ান কিংবদন্তি পাওলো মালদিনি। ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে এসি মিলানের হয়ে খেলেছেন ৯০২ টি ম্যাচ। জিতেছেন ৭টি সিরিআ এবং ৫টি ইউরোপিয়ান কাপ। ইতালির হয়ে ১২৬টি ম্যাচ খেলা মালদিনি ১৯৯৪ সালে খেলেছেন বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২ বার ব্যালন ডি অরের জন্য মনোনীত হন ইতালিয়ান কিংবদন্তি।

দিয়েগো ম্যারাডোনা
রাইট মিডে জায়গা পেয়েছেন সদ্যপ্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলারের দৌড়ে উপরের সারিতে থাকা ম্যারাডোনা দেশের হয়ে খেলেছেন ৯২টি ম্যাচ। একক নৈপুন্যে দেশকে জিতিয়েছেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপ। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কর্তৃক গেল সেঞ্চুরির সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন ম্যারাডোনা।

জাভি হার্নান্দেজ
ড্রিম টিমের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে আছেন জাভি হার্নান্দেজ। স্প্যানিশ এই কিংবদন্তি ২০১০ সালে জিতেছেন বিশ্বকাপ। বার্সেলোনার এই তারকা ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে খ্যাত। বিশ্বকাপ ছাড়াও, ২০০৮ ও ২০১২ সালে দেশকে জিতিয়েছেন ইউরো। এছাড়াও ৮টি লা লিগা ও ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আছে এই কিংবদন্তির নামের পাশে।

লোথার ম্যাথিউস
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে আরেকজন লোথার ম্যাথিউস। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫টি বিশ্বকাপ খেলেন জার্মান কিংবদন্তি। এরমধ্যে ১৯৯০ সালে ওয়েস্ট জার্মানিকে জেতান বিশ্বকাপ। দেশের হয়ে ১৫০টি ম্যাচ খেলা ম্যাথিউস ১৯৮০ সালে জিতেছেন ইউরো। বায়ার্নের হয়ে ৭টি বুন্দেসলিগার পাশাপাশি ইন্টার মিলানের হয়ে সিরিআ জেতেন তিনি। ১৯৯০ সালে ব্যালন ডি অর জেতেন লোথার ম্যাথিউস।

পেলে
স্বপ্নের একাদশের লেফট মিডফিল্ডে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলেকে। ম্যারাডোনার মতোই সর্বকালের সেরা ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে বেশ এগিয়েই আছেন তিনি। ব্রাজিলের হয়ে ১৯৫৮, ‘৬২ ও ‘৭০ বিশ্বকাপ জিতেছেন পেলে। ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে ৩টি বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলার তিনি। তার সময়ে ব্যালন ডি অর পুরষ্কারের প্রচলন না হলেও, সম্প্রতি আয়োজক ফ্রেঞ্চ ফুটবল জানিয়েছে, সেসময় পুরষ্কারটি থাকলে অন্তত ৭ বার জিততেন পেলে! তার দাবি, ক্যারিয়ার জুড়ে ১ হাজারের বেশি গোল করেছেন তিনি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তার গোলসংখ্যা ৭৬৭টি।

লিওনেল মেসি
রাইট উইংয়ে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে পেলে-ম্যারাডোনার পাশাপাশি উচ্চারিত হয় তার নামও। এখন পর্যন্ত রেকর্ড ৬ বার ব্যালন ডি অর জিতেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ১৪২ টি ম্যাচ খেলা মেসি ২০১৪ সালে দলকে টেনে তুলেছিলেন বিশ্বকাপ ফাইনালে। ১০টি লা লিগার পাশাপাশি তার নামের পাশে আছে ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। লিগে ম্যাচপ্রতি প্রায় সমান গোল করা মেসি ৬টি ব্যালন ডি অরের পাশাপাশি জিতেছেন অসংখ্য পুরষ্কার।

রোনালদো নাজারিও
স্ট্রাইকার পজিশনে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওকে। ২ বার বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। ২ বার জিতেছেন ব্যালন ডিঅরও। রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান এবং বার্সেলোনায় খেলা এই তারকার ক্লাব গোলসংখ্যা ৩৫২টি। দেশের হয়েও ৬২ টি গোল আছে রোনালদোর।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
লেফট উইংয়ে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ মহাতারকা জিতেছেন ৫টি ব্যালন ডি অর। দেশের হয়ে তার গোল সংখ্যা ১০২টি। দলকে জিতিয়েছেন ২০১৬ ইউরো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং য়্যুভেন্তাসের হয়ে ৭টি লিগ শিরোপা জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো। মেসির মতোই ব্যক্তিগত প্রায় সব পুরষ্কারই জিতেছেন এই পর্তুগিজ তারকা।

ব্যালন ডি অর ড্রিম টিম সেকেন্ড ইলেভেন-এ যারা আছেন:

জিয়ানলুইজি বুফন, কার্লোস আলবার্তো, বারেসি, রবার্তো কার্লোস, জিনেদিন জিদান, আন্দ্রে পিরলো, ফ্রাঙ্ক রাইকার্ড, আলফ্রেডো ডি স্টেফানো, গারিঞ্চা, রোনালদিনহো, ক্রুইফ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফুটবলের স্বপ্নের একাদশে যারা আছেন

প্রকাশিত : ১০:২৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২০

ব্যালন ডি’অর ড্রিম টিম ঘোষণা করেছে আয়োজক ফরাসি ফুটবল। স্বাভাবিকভাবেই সর্বকালের সেরা ফুটবল তারকাদের ভিড় সেখানে। 

১৪০ জন সাংবাদিক তাদের ভোটের মাধ্যমে ড্রিম টিম টি সাজিয়েছেন।

একইসঙ্গে ড্রিম টিম সেকেন্ড ও থার্ড ইলেভেনও প্রকাশ করা হয়েছে। যথারীতি এই দুটো দলেও সর্বকালের সেরা তারকাদের ভিড়।

স্বপ্নের একাদশে যারা আছেন:

লেভ ইয়াশিন
লেভ ইয়াশিনকে সর্বকালের সেরা গোলকিপার বলা হয়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের এই তারকা ক্যারিয়াজুড়ে খেলেছেন ৮০০’রও বেশি ম্যাচ। সেভ করেছেন ১৫০টিরও বেশি পেনাল্টি। ক্যারিয়ারে ৯ বার ইউরোপের সেরা গোলকিপার পুরষ্কার জেতেন ডায়নামো মস্কোয় খেলা এই ফুটবলার।

কাফু
ড্রিম টিমের রাইটব্যাক পজিশনে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি কাফুকে। ১৪২টি ম্যাচ খেলে ব্রাজিলের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার কাফু। ইতালিয়ান ক্লাব এসি মিলান ও রোমার হয়ে লিগ শিরোপা জিতেছেন কাফু। ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপ জেতা কাফু খেলেছেন আরো একটি বিশ্বকাপ ফাইনাল। ১৯৯৮ সালে সেবার অবশ্য ফ্রান্সের কাছে হেরেছে তার দল।

ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার
স্বপ্নের একাদশের সেন্ট্রাল ব্যাকে রাখা হয়েছে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারকে। জার্মান এই কিংবদন্তি খেলতেন বায়ার্ন মিউনিখে। ১৯৭৪ সালে জিতেছেন বিশ্বকাপ। ডিফেন্ডার হয়েও ১৯৭২ ও ‘৭৬ সালে জিতেছেন ব্যালন ডি অর।

পাওলো মালদিনি
লেফটব্যাকে আছেন ইতালিয়ান কিংবদন্তি পাওলো মালদিনি। ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে এসি মিলানের হয়ে খেলেছেন ৯০২ টি ম্যাচ। জিতেছেন ৭টি সিরিআ এবং ৫টি ইউরোপিয়ান কাপ। ইতালির হয়ে ১২৬টি ম্যাচ খেলা মালদিনি ১৯৯৪ সালে খেলেছেন বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২ বার ব্যালন ডি অরের জন্য মনোনীত হন ইতালিয়ান কিংবদন্তি।

দিয়েগো ম্যারাডোনা
রাইট মিডে জায়গা পেয়েছেন সদ্যপ্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলারের দৌড়ে উপরের সারিতে থাকা ম্যারাডোনা দেশের হয়ে খেলেছেন ৯২টি ম্যাচ। একক নৈপুন্যে দেশকে জিতিয়েছেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপ। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কর্তৃক গেল সেঞ্চুরির সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন ম্যারাডোনা।

জাভি হার্নান্দেজ
ড্রিম টিমের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে আছেন জাভি হার্নান্দেজ। স্প্যানিশ এই কিংবদন্তি ২০১০ সালে জিতেছেন বিশ্বকাপ। বার্সেলোনার এই তারকা ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে খ্যাত। বিশ্বকাপ ছাড়াও, ২০০৮ ও ২০১২ সালে দেশকে জিতিয়েছেন ইউরো। এছাড়াও ৮টি লা লিগা ও ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আছে এই কিংবদন্তির নামের পাশে।

লোথার ম্যাথিউস
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে আরেকজন লোথার ম্যাথিউস। ১৯৮২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫টি বিশ্বকাপ খেলেন জার্মান কিংবদন্তি। এরমধ্যে ১৯৯০ সালে ওয়েস্ট জার্মানিকে জেতান বিশ্বকাপ। দেশের হয়ে ১৫০টি ম্যাচ খেলা ম্যাথিউস ১৯৮০ সালে জিতেছেন ইউরো। বায়ার্নের হয়ে ৭টি বুন্দেসলিগার পাশাপাশি ইন্টার মিলানের হয়ে সিরিআ জেতেন তিনি। ১৯৯০ সালে ব্যালন ডি অর জেতেন লোথার ম্যাথিউস।

পেলে
স্বপ্নের একাদশের লেফট মিডফিল্ডে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলেকে। ম্যারাডোনার মতোই সর্বকালের সেরা ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে বেশ এগিয়েই আছেন তিনি। ব্রাজিলের হয়ে ১৯৫৮, ‘৬২ ও ‘৭০ বিশ্বকাপ জিতেছেন পেলে। ইতিহাসের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে ৩টি বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলার তিনি। তার সময়ে ব্যালন ডি অর পুরষ্কারের প্রচলন না হলেও, সম্প্রতি আয়োজক ফ্রেঞ্চ ফুটবল জানিয়েছে, সেসময় পুরষ্কারটি থাকলে অন্তত ৭ বার জিততেন পেলে! তার দাবি, ক্যারিয়ার জুড়ে ১ হাজারের বেশি গোল করেছেন তিনি। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তার গোলসংখ্যা ৭৬৭টি।

লিওনেল মেসি
রাইট উইংয়ে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে পেলে-ম্যারাডোনার পাশাপাশি উচ্চারিত হয় তার নামও। এখন পর্যন্ত রেকর্ড ৬ বার ব্যালন ডি অর জিতেছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ১৪২ টি ম্যাচ খেলা মেসি ২০১৪ সালে দলকে টেনে তুলেছিলেন বিশ্বকাপ ফাইনালে। ১০টি লা লিগার পাশাপাশি তার নামের পাশে আছে ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। লিগে ম্যাচপ্রতি প্রায় সমান গোল করা মেসি ৬টি ব্যালন ডি অরের পাশাপাশি জিতেছেন অসংখ্য পুরষ্কার।

রোনালদো নাজারিও
স্ট্রাইকার পজিশনে রাখা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওকে। ২ বার বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি। ২ বার জিতেছেন ব্যালন ডিঅরও। রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান এবং বার্সেলোনায় খেলা এই তারকার ক্লাব গোলসংখ্যা ৩৫২টি। দেশের হয়েও ৬২ টি গোল আছে রোনালদোর।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
লেফট উইংয়ে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ মহাতারকা জিতেছেন ৫টি ব্যালন ডি অর। দেশের হয়ে তার গোল সংখ্যা ১০২টি। দলকে জিতিয়েছেন ২০১৬ ইউরো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ এবং য়্যুভেন্তাসের হয়ে ৭টি লিগ শিরোপা জিতেছেন ক্রিস্টিয়ানো। মেসির মতোই ব্যক্তিগত প্রায় সব পুরষ্কারই জিতেছেন এই পর্তুগিজ তারকা।

ব্যালন ডি অর ড্রিম টিম সেকেন্ড ইলেভেন-এ যারা আছেন:

জিয়ানলুইজি বুফন, কার্লোস আলবার্তো, বারেসি, রবার্তো কার্লোস, জিনেদিন জিদান, আন্দ্রে পিরলো, ফ্রাঙ্ক রাইকার্ড, আলফ্রেডো ডি স্টেফানো, গারিঞ্চা, রোনালদিনহো, ক্রুইফ।