০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

৫৬ বছরে বিটিভি

৫৬ বছরে পা রাখলো বাংলাদেশ টেলিভিশন। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর তৎকালীন ঢাকা শহরের ডিআইটি ভবনের নিচতলায় এনইসি (নিপ্পন ইলেকট্রিক কোম্পানি) জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশ টেলিভিশন বা বিটিভির যাত্রা। তখন নাম ছিল পাকিস্তান টেলিভিশন। ১৯৬৭ সালে টেলিভিশন করপোরেশন ও স্বাধীনতা-উত্তর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে সরকারি গণমাধ্যমে রূপান্তরিত হয় বিটিভি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করে ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিআইটির ক্ষুদ্র পরিসর থেকে রামপুরায় টেলিভিশন কেন্দ্র স্থানান্তর করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।

‘বদলে যাবে বদলে দিবে’ স্লোগান সামনে রেখে বিটিভিকে আরো গণমুখী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন, অনুষ্ঠানের প্রচারণা বৃদ্ধিসহ নানা পরিকল্পনা এর আওতায় থাকবে। আজ ২৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিটিভির মহাপরিচালক এসএম হারুন-অর-রশীদ।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন বা বিটিভির ৫৫তম বর্ষপূর্তি আগামীকাল। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান টেলিভিশন নামে চালু হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। এরপর বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ, মাটি ও মানুষের কথা বলার ব্রত নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। ১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেয়ার মাধ্যমে নতুন যুগে পা রাখে বিটিভি।

এখন বিটিভি ওয়ার্ল্ড’র মাধ্যমে দেশের বাইরেও নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে। দর্শকের কাছে পৌঁছতে যুগোপযোগী পরিবর্তনের অঙ্গীকার আর প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে এবার ৫৬ বছরে পা রাখলো গণমাধ্যমটি। এই পথচলায় সবার সহযোগিতা চাই আমরা।’

বিটিভির জন্মদিন উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর বিটিভির রামপুরার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিভির অনুষ্ঠান ও পরিচালনা পরিচালক জগদীশ এষ, উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) ড. তাসমিনা আহমেদ, উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) অনুপ খাস্তগীর, ঢাকা কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নাসির মাহমুদ, সহ-দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও প্রযোজকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এসএসসি পরীক্ষা শুরু আগামীকাল,পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা

৫৬ বছরে বিটিভি

প্রকাশিত : ০৫:৫৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০

৫৬ বছরে পা রাখলো বাংলাদেশ টেলিভিশন। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর তৎকালীন ঢাকা শহরের ডিআইটি ভবনের নিচতলায় এনইসি (নিপ্পন ইলেকট্রিক কোম্পানি) জাপানের সহায়তায় বাংলাদেশ টেলিভিশন বা বিটিভির যাত্রা। তখন নাম ছিল পাকিস্তান টেলিভিশন। ১৯৬৭ সালে টেলিভিশন করপোরেশন ও স্বাধীনতা-উত্তর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে সরকারি গণমাধ্যমে রূপান্তরিত হয় বিটিভি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে আধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করে ১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিআইটির ক্ষুদ্র পরিসর থেকে রামপুরায় টেলিভিশন কেন্দ্র স্থানান্তর করা হয়। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি নতুন পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।

‘বদলে যাবে বদলে দিবে’ স্লোগান সামনে রেখে বিটিভিকে আরো গণমুখী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন, অনুষ্ঠানের প্রচারণা বৃদ্ধিসহ নানা পরিকল্পনা এর আওতায় থাকবে। আজ ২৪ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিটিভির মহাপরিচালক এসএম হারুন-অর-রশীদ।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন বা বিটিভির ৫৫তম বর্ষপূর্তি আগামীকাল। ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান টেলিভিশন নামে চালু হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। এরপর বাংলাদেশের জন্মের পরের বছর সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ, মাটি ও মানুষের কথা বলার ব্রত নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ টেলিভিশন। ১৯৮০ সালে দর্শকদের রঙিন পর্দা উপহার দেয়ার মাধ্যমে নতুন যুগে পা রাখে বিটিভি।

এখন বিটিভি ওয়ার্ল্ড’র মাধ্যমে দেশের বাইরেও নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হয়েছে। দর্শকের কাছে পৌঁছতে যুগোপযোগী পরিবর্তনের অঙ্গীকার আর প্রত্যয়ের মধ্য দিয়ে এবার ৫৬ বছরে পা রাখলো গণমাধ্যমটি। এই পথচলায় সবার সহযোগিতা চাই আমরা।’

বিটিভির জন্মদিন উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর বিটিভির রামপুরার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিভির অনুষ্ঠান ও পরিচালনা পরিচালক জগদীশ এষ, উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) ড. তাসমিনা আহমেদ, উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) অনুপ খাস্তগীর, ঢাকা কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নাসির মাহমুদ, সহ-দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও প্রযোজকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর