০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

সীতাকুণ্ডে গুলিতে নিহতের ঘটনায় পুলিশসহ গ্রেফতার ৩

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আইনশৃঙখলা বাহিনীর সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সময় গুলিতে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পুলিশ ও এক আনসার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন এসআই নাজমুল হুদা, কনস্টেবল আবুল কাশেম ও আনসার সদস্য ইসমাইল হোসেন। দুই পুলিশ সদস্য সীতাকুণ্ড থানায় কর্মরত ছিলেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারি ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় বুধবার রাতে সাদাপোশাকের পুলিশের একটি দল দুই যুবককে ধরে আনার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে মোঃ সাইফুল নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় ওই রাতেই।

এ ঘটনায় সাইফুলের ভাই দিদারুল আলম বৃহস্পতিবার হত্যা মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবারই ওই তিন পুলিশ-আনসার সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

দিদারুল মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ঘটনার সময় এসআই নাজমুল খুব কাছ থেকে সাইফুলকে গুলি করেন। ফলে সাইফুল গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

এই পুলিশ সদস্যদের দাবি, আসামি ধরতে গেলে গ্রামবাসী তাদের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষা করতে তারা গুলি চালিয়েছিলেন।

তবে ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত কমিটি করার কথা জানিয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেছেন, দোষীদের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানোর জন্য উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ আছে। তদন্ত কমিটি যদি পুলিশ সদস্যদের দোষ পেয়ে থাকে, তাদের বিধি অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সীতাকুণ্ডে গুলিতে নিহতের ঘটনায় পুলিশসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত : ১০:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আইনশৃঙখলা বাহিনীর সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সময় গুলিতে একজন নিহতের ঘটনায় দুই পুলিশ ও এক আনসার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন এসআই নাজমুল হুদা, কনস্টেবল আবুল কাশেম ও আনসার সদস্য ইসমাইল হোসেন। দুই পুলিশ সদস্য সীতাকুণ্ড থানায় কর্মরত ছিলেন।

সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারি ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় বুধবার রাতে সাদাপোশাকের পুলিশের একটি দল দুই যুবককে ধরে আনার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে মোঃ সাইফুল নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় ওই রাতেই।

এ ঘটনায় সাইফুলের ভাই দিদারুল আলম বৃহস্পতিবার হত্যা মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবারই ওই তিন পুলিশ-আনসার সদস্যকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

দিদারুল মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ঘটনার সময় এসআই নাজমুল খুব কাছ থেকে সাইফুলকে গুলি করেন। ফলে সাইফুল গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

এই পুলিশ সদস্যদের দাবি, আসামি ধরতে গেলে গ্রামবাসী তাদের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষা করতে তারা গুলি চালিয়েছিলেন।

তবে ঘটনা তদন্তে পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত কমিটি করার কথা জানিয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বলেছেন, দোষীদের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানোর জন্য উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশ আছে। তদন্ত কমিটি যদি পুলিশ সদস্যদের দোষ পেয়ে থাকে, তাদের বিধি অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনা হবে।