০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

শাহজালালে পঞ্চমবারের মতো ২৫০ কেজি ওজনের বোমা উদ্ধার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে আরও একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাটির ওজন ২৫০ কেজি। এ নিয়ে নির্মাণাধীন এই টার্মিনাল থেকে মোট পাঁচবার একই ওজনের ৫টি বোমা পাওয়া গেল।

পঞ্চমবারের মতো বুধবার বোমাটি উদ্ধার করা হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, বিমান বাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এখানে আরও বোমা আছে। বেশ কয়েকবার এলাকাটি স্ক্যান করা হয়, কিন্তু শনাক্ত করা যায়নি। এগুলো মাটির বেশি গভীরে থাকায় স্ক্যানারে ধরা পড়ছে না।

গত ৯ ডিসেম্বর বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ চালানোর সময় সিলিন্ডার সদৃশ ২৫০ কেজি ওজনের প্রথম একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছিল। এরপর ১৪, ১৯ ও ২৮ ডিসেম্বর আরও তিনটি একই রকমের বোমা উদ্ধার হয়। পরে সেগুলো টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের রসুলপুর বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে নিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক মনির- সদস্য সচিব পুষ্পেন

শাহজালালে পঞ্চমবারের মতো ২৫০ কেজি ওজনের বোমা উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৮:১৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে আরও একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাটির ওজন ২৫০ কেজি। এ নিয়ে নির্মাণাধীন এই টার্মিনাল থেকে মোট পাঁচবার একই ওজনের ৫টি বোমা পাওয়া গেল।

পঞ্চমবারের মতো বুধবার বোমাটি উদ্ধার করা হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, বিমান বাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এখানে আরও বোমা আছে। বেশ কয়েকবার এলাকাটি স্ক্যান করা হয়, কিন্তু শনাক্ত করা যায়নি। এগুলো মাটির বেশি গভীরে থাকায় স্ক্যানারে ধরা পড়ছে না।

গত ৯ ডিসেম্বর বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ চালানোর সময় সিলিন্ডার সদৃশ ২৫০ কেজি ওজনের প্রথম একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছিল। এরপর ১৪, ১৯ ও ২৮ ডিসেম্বর আরও তিনটি একই রকমের বোমা উদ্ধার হয়। পরে সেগুলো টাঙ্গাইলের মধুপুর বনের রসুলপুর বিমানবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জে নিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।