১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

স্বামীসহ প্রথম স্ত্রীর ফাঁসি

মেহেরপুরে জরিনা খাতুন নামের এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ প্রথম স্ত্রীর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকাল ১১টার দিকে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা জজ রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের নবীছদ্দীনের ছেলে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন। এ রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

জানা গেছে, ২০১০ সালে সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন দুজনে মিলে দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা খাতুনকে হত্যার পর একটি আলুক্ষেতের মধ্যে পুঁতে রাখে। কয়েকদিন পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি জরিনা খাতুনের বোন ফেরদৌসি খাতুন বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মেহেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে আটকের পর আদালতে নেওয়া হলে তারা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় তিনজনকে চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলায় ১৪ জন সাক্ষী আদালতের তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

মামলায় সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী শহিদুল হক এবং আসামি পক্ষে নারগিস আরা আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

স্বামীসহ প্রথম স্ত্রীর ফাঁসি

প্রকাশিত : ০৪:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

মেহেরপুরে জরিনা খাতুন নামের এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীসহ প্রথম স্ত্রীর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকাল ১১টার দিকে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা জজ রিপতি কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের নবীছদ্দীনের ছেলে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন। এ রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

জানা গেছে, ২০১০ সালে সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুন দুজনে মিলে দ্বিতীয় স্ত্রী জরিনা খাতুনকে হত্যার পর একটি আলুক্ষেতের মধ্যে পুঁতে রাখে। কয়েকদিন পর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি জরিনা খাতুনের বোন ফেরদৌসি খাতুন বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মেহেরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাইদুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী জমেলা খাতুনকে আটকের পর আদালতে নেওয়া হলে তারা ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় তিনজনকে চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলায় ১৪ জন সাক্ষী আদালতের তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। আসামিদের জবানবন্দি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

মামলায় সরকার পক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী শহিদুল হক এবং আসামি পক্ষে নারগিস আরা আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান