০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিমানবন্দরে বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ সৌদি রিয়ালসহ মো. সোবহান শেখ নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। মালয়েশিয়া থেকে শনিবার রাতে ঢাকায় আসা ওই যাত্রীকে আটক করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেছেন, শনিবার রাত ১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা সোবহান ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিমান এমএইচ১৯৬ ফ্লাইটে রাতে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসেন। তার পাসপোর্টে থাকা তথ্যানুযায়ী, চলতি জানুয়ারিতেই তিনি মালয়েশিয়া-ঢাকা রুটে তিনবার এবং ২০১৭ সালে একই রুটে সাতবার ভ্রমণ করেছেন।

শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোবহান বৈদেশিক মুদ্রা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাকে বিমানবন্দরের কাস্টমস হলে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অর্থ বহনের কথা স্বীকার করেন। শুল্ক গোয়েন্দার নজরদারি এড়ানোর জন্যই জুতার ভেতরে ও শরীরে বিশেষভাবে লুকানো ছিল এই অর্থ।

শুল্ক গোয়েন্দারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোবহানকে নজরদারিতে রাখেন। জুতা ও শরীর তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৩ লাখ ২৭ হাজার সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৭২ লাখ ৬২ হাজার ৬৭০ টাকা। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্বর্ণ ক্রয়ের উদ্দেশে তিনি এসব মুদ্রা অবৈধভাবে বহন করছিলেন। ইতোপূর্বে তিনি এভাবে আরো চারবার মুদ্রা বহনকরে স্বর্ণ চোরাচালান করেছিলেন।

সোবহানকে শুল্ক আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরে বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক

প্রকাশিত : ০২:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৮

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ সৌদি রিয়ালসহ মো. সোবহান শেখ নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। মালয়েশিয়া থেকে শনিবার রাতে ঢাকায় আসা ওই যাত্রীকে আটক করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেছেন, শনিবার রাত ১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা সোবহান ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিমান এমএইচ১৯৬ ফ্লাইটে রাতে মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসেন। তার পাসপোর্টে থাকা তথ্যানুযায়ী, চলতি জানুয়ারিতেই তিনি মালয়েশিয়া-ঢাকা রুটে তিনবার এবং ২০১৭ সালে একই রুটে সাতবার ভ্রমণ করেছেন।

শুল্ক গোয়েন্দার মহাপরিচালক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোবহান বৈদেশিক মুদ্রা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তাকে বিমানবন্দরের কাস্টমস হলে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অর্থ বহনের কথা স্বীকার করেন। শুল্ক গোয়েন্দার নজরদারি এড়ানোর জন্যই জুতার ভেতরে ও শরীরে বিশেষভাবে লুকানো ছিল এই অর্থ।

শুল্ক গোয়েন্দারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোবহানকে নজরদারিতে রাখেন। জুতা ও শরীর তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ৩ লাখ ২৭ হাজার সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৭২ লাখ ৬২ হাজার ৬৭০ টাকা। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্বর্ণ ক্রয়ের উদ্দেশে তিনি এসব মুদ্রা অবৈধভাবে বহন করছিলেন। ইতোপূর্বে তিনি এভাবে আরো চারবার মুদ্রা বহনকরে স্বর্ণ চোরাচালান করেছিলেন।

সোবহানকে শুল্ক আইন ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।