ব্রিসবেনের কঠিন কোয়ারেন্টাইন শর্ত শিথিল করতে, আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে চিঠি দিয়েছে বিসিসিআই। যদিও তাদের চাওয়া, শেষ টেস্টটি যেন সিডনিতেই খেলা হয়। বিষয়টি সমাধান করতে ব্রিসবেন রাজ্যসরকার ও বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ব্রিসবেনে ক্রিকেটারদের চলাফেরা কতটুকু সীমাবদ্ধতা থাকবে তার বিস্তারিত লিখিত আকারে চেয়েছে ভারত টিম ম্যানেজমেন্ট।
চলছে সিডনি টেস্ট। তবে বারবার ঘুরে ফিরে আসছে চতুর্থ টেস্টের ভেন্যু ব্রিসবেন। শেষ ম্যাচটি সেখানে আদৌ হবে কি না, তার এখনো কোনো নিশ্চয়তা নেই।
সব ঝামেলার মূলে ব্রিসবেনের কঠোর কোয়ারেন্টাইনের নিয়মকানুন, যা নিয়ে আগেই নিজেদের আপত্তি জানিয়েছে ভারত ক্রিকেট দল। অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখে সিডনিতে তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে। যেখানে হোটেল কক্ষের বাইরে যাওয়ার খুব একটা সুযোগ ছিল না ক্রিকেটারদের। একই নিয়ম ব্রিসবেনে। আর ভারতের আপত্তি এখানেই।
বিসিসিআইয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা এবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে। টেলিফোনে হয়েছে দফায় দফায় আলোচনা। আপাতত একটা সিদ্ধান্তে আসতে চাইছে স্বাগতিক বোর্ড।
ভারতও পরিষ্কার করেছে তাদের চাওয়া। ব্রিসবেনে ভারত-অস্ট্রেলিয়া দুই দলই থাকবে এক হোটেলে। খেলা বা অনুশীলন ছাড়া তাদের সুযোগ নেই হোটেলের বাইরে যাওয়ার। তবে যে সময়টুকু ক্রিকেটাররা হোটেলে থাকবে সে সময় একসঙ্গে খাওয়া বা আড্ডা দেওয়ার সুযোগ চায় ভারত টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে চাঙা রাখতেই এমন চাওয়া তাদের।
ব্রিসবেনের স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা জ্যানেট ইয়াং বিষয়টির নিশ্চয়তা দিলেও, ভারত চায় লিখিত প্রতিশ্রুতি। তবে টিম ইন্ডিয়া খুশি হবে যদি শেষ টেস্টটি ব্রিসবেনে না হয়।
কিন্তু এর কারণ কী? আসলেই কি কোয়ারেন্টাইনের শর্ত বেশি কঠিন হয়ে যাচ্ছে? সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন অবশ্য কিছুটা খোঁচা মেরেছেন ভারত দলকে। ব্রিসবেনে গেলো ৩৩ বছর কোনো টেস্ট ম্যাচ হারেনি অজিরা। এটাকেই ভয় পাচ্ছে ভারত, দাবি ভনের। টুইট করে তিনি জানতে চেয়েছেন ব্রিসবেনে না যাওয়ার কারণ সেখানকার কোভিড প্রোটোকল নাকি গ্যাবার পিচ।
ভারত-অস্ট্রেলিয়া নিজ অবস্থানে অনড়। এমন অবস্থায় সিরিজের শেষ টেস্ট না খেলেই ভারত দল দেশে ফিরে যেতে পারে এমন শঙ্কাও করছেন অনেকেই।


























