০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

প্রতিমাসে রক্ত না হলে প্রাণ সংশয়ে দুই শিশু!

দুই ফুটফুটে ভাই বোন তাজমহল ও ফয়সাল। জন্মগতভাবে তারা ‘এইচবিইবি’ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। প্রতিমাসে তাদের দুই ব্যাগ করে বি পজিটিভ এবং ও পজিটিভ রক্ত লাগে। অতিদ্রুত তাদের জটিল অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। তাছাড়া রক্ত দেয়া বন্ধ হলেই প্রাণ যেতে পারে শিশু দুটির। কিন্তু দিনমজুর বাবা খোরশিদ আলমের পক্ষে প্রতিমাসে রক্ত দেয়া ও অস্ত্রোপচার করার ব্যয়ভার আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। দুই সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব।

ওই দুই শিশুর বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামে। তাঁর দুই সন্তানের মধ্যে তাজমহলের বয়স সাড়ে পাঁচ ও ফয়সালের বয়স সাড়ে চার। তারা ঢাকার শিশু হাসপাতালে ডা. কামরুজ্জামানের অধীনে চিকিৎসাধীন থাকলেও এখন আর কূলোতে পারছেন না তাদের বাবা।

প্রতিমাসে দুই শিশুর চিকিৎসা খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। খোরশিদ আলম জানান, ঢাকায় গিয়ে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা করানো হয়েছে নিজের ভিটে বিক্রি করে। এখন স্থায়ী কোনো ধরনের সমাধান না পেয়ে বাড়ি চলে এসেছেন। বাড়িতে এসে প্রতিমাসের রক্ত যোগাড়ের জন্য দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করেন।

খোরশিদ জানান,মেয়ে তাজমহলের রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ ও ছেলে ফয়সালের গ্রুপ ও পজিটিভ। চিকিৎসক তাকে জানিয়েছেন দেশে উন্নত হাসপাতালে বা দেশের বাইরে গেলে শিশুদের বাঁচানো সম্ভব হতে পারে। কেমনে কী করবেন তা তিনি ভেবে পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সমাজের হৃদয়বান বিত্তশালীদের কাছে অর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রতিমাসে রক্ত না হলে প্রাণ সংশয়ে দুই শিশু!

প্রকাশিত : ০৩:০২:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০২১

দুই ফুটফুটে ভাই বোন তাজমহল ও ফয়সাল। জন্মগতভাবে তারা ‘এইচবিইবি’ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। প্রতিমাসে তাদের দুই ব্যাগ করে বি পজিটিভ এবং ও পজিটিভ রক্ত লাগে। অতিদ্রুত তাদের জটিল অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। তাছাড়া রক্ত দেয়া বন্ধ হলেই প্রাণ যেতে পারে শিশু দুটির। কিন্তু দিনমজুর বাবা খোরশিদ আলমের পক্ষে প্রতিমাসে রক্ত দেয়া ও অস্ত্রোপচার করার ব্যয়ভার আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। দুই সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি এখন নিঃস্ব।

ওই দুই শিশুর বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামে। তাঁর দুই সন্তানের মধ্যে তাজমহলের বয়স সাড়ে পাঁচ ও ফয়সালের বয়স সাড়ে চার। তারা ঢাকার শিশু হাসপাতালে ডা. কামরুজ্জামানের অধীনে চিকিৎসাধীন থাকলেও এখন আর কূলোতে পারছেন না তাদের বাবা।

প্রতিমাসে দুই শিশুর চিকিৎসা খরচ হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা। খোরশিদ আলম জানান, ঢাকায় গিয়ে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা করানো হয়েছে নিজের ভিটে বিক্রি করে। এখন স্থায়ী কোনো ধরনের সমাধান না পেয়ে বাড়ি চলে এসেছেন। বাড়িতে এসে প্রতিমাসের রক্ত যোগাড়ের জন্য দিগ্বিদিক ছুটাছুটি করেন।

খোরশিদ জানান,মেয়ে তাজমহলের রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ ও ছেলে ফয়সালের গ্রুপ ও পজিটিভ। চিকিৎসক তাকে জানিয়েছেন দেশে উন্নত হাসপাতালে বা দেশের বাইরে গেলে শিশুদের বাঁচানো সম্ভব হতে পারে। কেমনে কী করবেন তা তিনি ভেবে পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সমাজের হৃদয়বান বিত্তশালীদের কাছে অর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর