০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ফেসবুক বন্ধ করার ক্ষমতা আমাদের নেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করার কোনো কথা বলা হয়নি, বন্ধ করার ক্ষমতাও আমাদের নেই। তবে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিটিআরসি’র সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’ তিনি রোববার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আগে প্রশ্নপত্র বিজি প্রেস (বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়) থেকে ফাঁস হয়ে যেত। সেখানে নানা ব্যবস্থা নেয়ার ফলে এখন সেখান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় না। তবে দেড় মাস ধরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হয়। তাই দীর্ঘ দিন হাজার হাজার কেন্দ্রে পাহারা দিয়ে প্রশ্ন রাখা বড় কঠিন কাজ। ওই প্রশ্নগুলো যখন স্কুলে পৌঁছায়, কিছু শিক্ষক আছেন, তারা প্রশ্ন বিলির আগে খুলে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। আমরা এই জায়গাটায় আটকে গেছি। তাই বলেছি, বিটিআরসি’র (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) সঙ্গে আলাপ করব। তারা ওই প্রক্রিয়ায় কোনো সহযোগিতা করতে পারেন কি-না।’

নাহিদ বলেন, ‘বিটিআরসিকে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা কয়েক ঘণ্টার জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখতে পারেন কি-না, সেটা নিয়ে আলাপ করেছি। বিটিআরসি জানিয়েছে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে এসব প্রশ্ন আসে, তাই পরীক্ষার সময়টাতে তারা সেখানে লোক নিয়োগ করে রাখবেন। তারা পরীক্ষার সময় যদি কিছু হয়, তাৎক্ষণিকভাবে জানাবেন, সে অনুসারে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। বিটিআরসি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, তারা বলেছে ফেসবুক বন্ধ না করেও অন্যভাবে সহযোগিতা করবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফেসবুক বন্ধ করার ক্ষমতা আমাদের নেই: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৮

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ করার কোনো কথা বলা হয়নি, বন্ধ করার ক্ষমতাও আমাদের নেই। তবে ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিটিআরসি’র সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’ তিনি রোববার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আগে প্রশ্নপত্র বিজি প্রেস (বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়) থেকে ফাঁস হয়ে যেত। সেখানে নানা ব্যবস্থা নেয়ার ফলে এখন সেখান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় না। তবে দেড় মাস ধরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হয়। তাই দীর্ঘ দিন হাজার হাজার কেন্দ্রে পাহারা দিয়ে প্রশ্ন রাখা বড় কঠিন কাজ। ওই প্রশ্নগুলো যখন স্কুলে পৌঁছায়, কিছু শিক্ষক আছেন, তারা প্রশ্ন বিলির আগে খুলে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। আমরা এই জায়গাটায় আটকে গেছি। তাই বলেছি, বিটিআরসি’র (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) সঙ্গে আলাপ করব। তারা ওই প্রক্রিয়ায় কোনো সহযোগিতা করতে পারেন কি-না।’

নাহিদ বলেন, ‘বিটিআরসিকে বলা হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা কয়েক ঘণ্টার জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখতে পারেন কি-না, সেটা নিয়ে আলাপ করেছি। বিটিআরসি জানিয়েছে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে এসব প্রশ্ন আসে, তাই পরীক্ষার সময়টাতে তারা সেখানে লোক নিয়োগ করে রাখবেন। তারা পরীক্ষার সময় যদি কিছু হয়, তাৎক্ষণিকভাবে জানাবেন, সে অনুসারে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। বিটিআরসি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, তারা বলেছে ফেসবুক বন্ধ না করেও অন্যভাবে সহযোগিতা করবে।’