০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষকদের অনশন চলছে

একদফা দাবি আদায়ে তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।  বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

২১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি, ২২ জানুয়ারি প্রতীকী অনশন এবং ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত অনশন পালন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা দাবি করেন, টানা আট দিনের আন্দোলনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪২ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে আবারো আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। অনেকে আবার শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন বলেন, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। প্রধানমন্ত্রী সে সময় ২০১২ সালের ২৪ মে পর্যন্ত যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারের নামে জমি রেজিস্ট্রেশন এবং জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠদানের অনুমতি চেয়েছে, সেই বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণ করার ঘোষণা দেন। কিন্তু উপজেলা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে সঠিক সময়ে মন্ত্রণালয়ে তথ্য না পাঠানোর কারণে চার হাজার ১৬৯টি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রাথমিক শিক্ষকদের অনশন চলছে

প্রকাশিত : ০১:১২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

একদফা দাবি আদায়ে তৃতীয় দিনের মতো আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।  বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

২১ জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি, ২২ জানুয়ারি প্রতীকী অনশন এবং ২৩ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত অনশন পালন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা দাবি করেন, টানা আট দিনের আন্দোলনে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪২ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে আবারো আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। অনেকে আবার শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন বলেন, ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। প্রধানমন্ত্রী সে সময় ২০১২ সালের ২৪ মে পর্যন্ত যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারের নামে জমি রেজিস্ট্রেশন এবং জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠদানের অনুমতি চেয়েছে, সেই বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণ করার ঘোষণা দেন। কিন্তু উপজেলা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে সঠিক সময়ে মন্ত্রণালয়ে তথ্য না পাঠানোর কারণে চার হাজার ১৬৯টি প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়।