১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেল ছাত্রলীগ কর্মীর। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থীর প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে আহত ছাত্রলীগ কর্মী রোহিতের মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সাত দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে মারা যান তিনি। এদিকে হত্যাকারীর বিচার চেয়েছেন স্বজনরা। তবে পুলিশ বলছে, সহিংসতা নয় পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে মাঠের উত্তাপ। গত ৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী রেজাউল করিমের প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নগরীর দেওয়ানবাজার এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী রোহিতের পথ আটকায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোহিতের মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, বাবু, সাবু ও মহিউদ্দিন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

পুলিশ বলছে, রোহিত চকবাজারে মামুনি ক্লাবে সম্পৃক্ত থেকে মাদকবিরোধী কাজ করতেন। মাদক-সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বশত্রুতার জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান।

আশিকুর রহমান রোহিত নগরীর এম ইএস কলেজের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। তার বাড়ি বাকলিয়ার ডিসি রোডে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১২০ কি.মি বেগে ধ্বংসাত্মক রূপে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

নির্বাচনী সহিংসতায় আহত ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৩:৩৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২১

নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেল ছাত্রলীগ কর্মীর। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থীর প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে আহত ছাত্রলীগ কর্মী রোহিতের মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সাত দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে মারা যান তিনি। এদিকে হত্যাকারীর বিচার চেয়েছেন স্বজনরা। তবে পুলিশ বলছে, সহিংসতা নয় পূর্বশত্রুতার জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে মাঠের উত্তাপ। গত ৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী রেজাউল করিমের প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নগরীর দেওয়ানবাজার এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মী রোহিতের পথ আটকায় দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোহিতের মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, বাবু, সাবু ও মহিউদ্দিন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

পুলিশ বলছে, রোহিত চকবাজারে মামুনি ক্লাবে সম্পৃক্ত থেকে মাদকবিরোধী কাজ করতেন। মাদক-সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বশত্রুতার জেরেই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। আসামিদের ধরতে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান।

আশিকুর রহমান রোহিত নগরীর এম ইএস কলেজের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। তার বাড়ি বাকলিয়ার ডিসি রোডে।