১) ধর্মীয় মুল্যবোধে আঘাত করে ওয়েবসাইট বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচারের সাজা ১০ বছর এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানা।
২) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের সাজা ৭ বছর এবং ০৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।
৩) মুক্তিযুদ্ধ বা জাতির পিতাকে অবমাননা করে প্রচার বা সহায়তার সাজা ১৪ বছর জেল এবং ০১ কোটি টাকা জরিমানা ।
৪) একটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
৫) অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি তোলা এবং প্রকাশ করা বা বিকৃত করে বা ধারণ করলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ০৫ বছরের জেল।
৬) শিশু পর্নোগ্রাফির অপরাধে ০৭ বছরের জেল এবং ০৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।
৭) ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির অধীনে বাংলাদেশ সাইবার ইমার্জেন্সি বা ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম নামে একটি প্রধান টিম থাকবে।
৮) মহাপরিচালকের নিয়ন্ত্রণে এক বা একাধিক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।
৯) কেউ যদি বেআইনিভাবে কারও ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তাহলে তাকে ০৭ বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।
১০) বেআইনিভাবে অন্য সাইটে প্রবেশ করার পর যদি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন তবে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।
১১) বেআইনিভাবে কারও ডিভাইসে প্রবেশ করলে ০১ বছরের জেল ও ০৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।
১২) কারও ডিভাইসে প্রবেশে সহায়তা করলে তাকে ০৩ বছরের জেল ও ০৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।
১৩) কারও কম্পিউটারের সোর্স কোড পরিবর্তন বা ধ্বংস করলে ০৪ বছরের জেল ও ০৩ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
১৪) ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যদি জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করে তাহলে ১৪ বছরের জেল ও ০১ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
১৫ )কেউ মানহানিকর কোনও তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে ০৩ বছরের জেল ও ০৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

























