০১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিমানবাহী রণতরী ধ্বংসের সক্ষমতার পূর্ণতা দিতেই এবারের মহড়া : আইআরজিসি প্রধান

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে শত্রুর বিমানবাহী রণতরীসহ বিভিন্ন যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংসের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।  এটি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ।

তিনি আজ (শনিবার) ‘মহানবী (স.)-১৫’ মহড়ার অবকাশে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সাগরে যুদ্ধের প্রচলিত কৌশলটি হলো কম গতিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে চলমান লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করা। কিন্তু আমরা দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েও সাগরে শত্রুর চলমান নৌযান ধ্বংসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। 

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের আয়তন বড় হওয়ার কারণে দেশের মধ্যাঞ্চল থেকে দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাগরে শত্রুর বিমানবাহী রণতরী, ডেস্ট্রয়ার ও অন্যান্য যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস করা সম্ভব। এই সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য আগের স্থির করা হয়েছিল। আমরা সে লক্ষ্য অর্জন করেছি।’

আইআরজিসি’র প্রধান বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাগরে চলমান লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংসের সক্ষমতা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অনেক বড় অর্জন। আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ফোর্স এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

হোসেইন সালামি বলেন, ‘আজকের মহড়ায় আমরা অ্যারোস্পেস ফোর্সের দৃঢ় অবস্থান ও শক্তিমত্তা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রয়োজনের সময় যুদ্ধের ময়দানে এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে চারটিতে ধানের শীষ এবং একটিতে শাপলা কলি বিজয়ী

বিমানবাহী রণতরী ধ্বংসের সক্ষমতার পূর্ণতা দিতেই এবারের মহড়া : আইআরজিসি প্রধান

প্রকাশিত : ০৯:১৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে শত্রুর বিমানবাহী রণতরীসহ বিভিন্ন যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংসের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।  এটি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ।

তিনি আজ (শনিবার) ‘মহানবী (স.)-১৫’ মহড়ার অবকাশে সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সাগরে যুদ্ধের প্রচলিত কৌশলটি হলো কম গতিসম্পন্ন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে চলমান লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করা। কিন্তু আমরা দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েও সাগরে শত্রুর চলমান নৌযান ধ্বংসের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। 

তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের আয়তন বড় হওয়ার কারণে দেশের মধ্যাঞ্চল থেকে দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাগরে শত্রুর বিমানবাহী রণতরী, ডেস্ট্রয়ার ও অন্যান্য যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস করা সম্ভব। এই সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য আগের স্থির করা হয়েছিল। আমরা সে লক্ষ্য অর্জন করেছি।’

আইআরজিসি’র প্রধান বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাগরে চলমান লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংসের সক্ষমতা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে অনেক বড় অর্জন। আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ফোর্স এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে।

হোসেইন সালামি বলেন, ‘আজকের মহড়ায় আমরা অ্যারোস্পেস ফোর্সের দৃঢ় অবস্থান ও শক্তিমত্তা প্রত্যক্ষ করেছি। প্রয়োজনের সময় যুদ্ধের ময়দানে এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে।