০৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৬, ধ্বংসস্তূপে মিলছে প্রাণ

ইন্দোনেশিয়ায় এ বছরের শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। রোববার ১৭ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

গত শুক্রবারের ৬ দশমিক ২ মাত্রার ৭ সেকেন্ডের ভূমিকম্পের সুলাওয়েসি দ্বীপসহ আশপাশের এলাকার ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এরপর থেকে চলছে উদ্ধারকাজ। বিভিন্ন জায়গায় চাপা পড়ে আটকে আছে অনেকে। নিখোঁজদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন পরিবার ও উদ্ধারকর্মীরা।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৯০০ মানুষ আহত হয়েছেন। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাসপাতালসহ অন্তত ১৫ হাজার বাড়িঘর। নিঃস্ব হয়ে অনেকের আশ্রয় হয়েছে খোলা আকাশে তাঁবুর নিচে।

ক্ষতিগ্রস্ত এক বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহব বলছেন, ‘সন্তানসহ স্ত্রী এই খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হচ্ছে। সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আশা করছি, সরকার দ্রুত সহায়তা করবে। সবার আগে শিশুদের জন্য দুধ ও খাবার প্রয়োজন।’

উদ্ধারকাজে ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে অংশ নিয়েছেন সেনা সদস্যরাও। কতজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি তারা। তবে, দুদিন পার হয়ে গেলেও মিলছে জীবিত মানুষের সন্ধান।

ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি এবং খাদ্য সংকট। অসহায়দের সহায়তা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ইন্দোনেশীয় সরকার।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় আইআইইউসি’র ছাত্রী নিহত, মহাসড়ক-রেলপথ অবরোধ

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৬, ধ্বংসস্তূপে মিলছে প্রাণ

প্রকাশিত : ১১:৩২:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

ইন্দোনেশিয়ায় এ বছরের শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। রোববার ১৭ জানুয়ারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে চাপা পড়ে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

গত শুক্রবারের ৬ দশমিক ২ মাত্রার ৭ সেকেন্ডের ভূমিকম্পের সুলাওয়েসি দ্বীপসহ আশপাশের এলাকার ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এরপর থেকে চলছে উদ্ধারকাজ। বিভিন্ন জায়গায় চাপা পড়ে আটকে আছে অনেকে। নিখোঁজদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন পরিবার ও উদ্ধারকর্মীরা।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৯০০ মানুষ আহত হয়েছেন। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাসপাতালসহ অন্তত ১৫ হাজার বাড়িঘর। নিঃস্ব হয়ে অনেকের আশ্রয় হয়েছে খোলা আকাশে তাঁবুর নিচে।

ক্ষতিগ্রস্ত এক বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহব বলছেন, ‘সন্তানসহ স্ত্রী এই খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হচ্ছে। সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আশা করছি, সরকার দ্রুত সহায়তা করবে। সবার আগে শিশুদের জন্য দুধ ও খাবার প্রয়োজন।’

উদ্ধারকাজে ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে অংশ নিয়েছেন সেনা সদস্যরাও। কতজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি তারা। তবে, দুদিন পার হয়ে গেলেও মিলছে জীবিত মানুষের সন্ধান।

ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি এবং খাদ্য সংকট। অসহায়দের সহায়তা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ইন্দোনেশীয় সরকার।