০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

ঋণে লাগাম দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বেসরকারি খাতে ঋণের লাগাম টানল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। যদিও এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে আজ সোমবার গভর্নর ফজলে কবির অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাপক মুদ্রার প্রক্ষেপণও কমিয়ে আনা হয়েছে। গত মুদ্রানীতিতে এ হার ছিল ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ, যদিও অর্জন হয়েছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। নতুন ঘোষণার তা কমিয়ে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ করা হয়েছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণায় গভর্নর ফজলে কবির বলেন, প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ ও বৈদেশিক ঋণের দায়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগতির সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করা হবে। ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হবে। তবে তা সমন্বয়ে জুন পর্যন্ত সময় পাবে ব্যাংকগুলো।

বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সংকট রোধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ইন্টারনেট ভিত্তিক ই-কমার্স থেকে আসা বিদেশি আয় ব্যাংকের মাধ্যমে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদেশ থেকে আয় আনতে যে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ব্যবহার করা হচ্ছে, তা প্রতিরোধে ও দমনে জোরালো কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। সীমার বেশি বিদেশি দায় তৈরি করলে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান, এস কে সুর চৌধুরী ও এস এম মুনিরুজ্জামান, প্রধান অর্থনীতিবিদ ফয়সল আহমেদ, পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

ঋণে লাগাম দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশিত : ১১:১৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী ২০১৮

বেসরকারি খাতে ঋণের লাগাম টানল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। যদিও এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের (জানুয়ারি-জুন) জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে আজ সোমবার গভর্নর ফজলে কবির অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। নতুন মুদ্রানীতিতে ব্যাপক মুদ্রার প্রক্ষেপণও কমিয়ে আনা হয়েছে। গত মুদ্রানীতিতে এ হার ছিল ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ, যদিও অর্জন হয়েছে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ। নতুন ঘোষণার তা কমিয়ে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ করা হয়েছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণায় গভর্নর ফজলে কবির বলেন, প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ ও বৈদেশিক ঋণের দায়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগতির সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করা হবে। ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হবে। তবে তা সমন্বয়ে জুন পর্যন্ত সময় পাবে ব্যাংকগুলো।

বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সংকট রোধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ইন্টারনেট ভিত্তিক ই-কমার্স থেকে আসা বিদেশি আয় ব্যাংকের মাধ্যমে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিদেশ থেকে আয় আনতে যে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব ব্যবহার করা হচ্ছে, তা প্রতিরোধে ও দমনে জোরালো কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। সীমার বেশি বিদেশি দায় তৈরি করলে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজী হাসান, এস কে সুর চৌধুরী ও এস এম মুনিরুজ্জামান, প্রধান অর্থনীতিবিদ ফয়সল আহমেদ, পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা আল্লাহ মালিক কাজেমীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।