১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জবির ইতিহাস বিভাগের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ ১৩তম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাাপক ড. আনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মীজানুর রহমান বলেন, শিক্ষকদের ক্লাসে আরো যত্নশীল হওয়া উচিত। ছাত্ররা ক্লাস করেনা এটা শুধুমাত্র ছাত্রদের দোষ না। আমার ক্লাসে আমি কখনো কোনো অমনোযোগী ছাত্র দেখিনি। উপস্থিতির উপর কোনো নাম্বার ছিল না তার পরও ক্লাসে একটা সিটও কখনো ফাকা থাকতো না। আশাকরি শিক্ষকরা এ ব্যাপারটি লক্ষ করবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষকদের বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় পারদর্শী হতে হবে।শিক্ষকরা ছাত্রদের অবিভাবক হতে হবে। ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে দূরত্ব কমাতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে।

অধ্যাপক খোদেজা খাতুনের সভাপতিত্বে আরোও বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আতিয়ার হোসেন ও কলা অনুষদের সাবেক ডিন ড. মোঃ সেলিম।

আলোচনা শেষে ইতিহাস বিভাগ ১২তম ব্যাচের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যে কোনো হামলাকে সর্বাত্মক যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে ইরান

জবির ইতিহাস বিভাগের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৯:৫৮:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০১৮

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ ১৩তম ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাাপক ড. আনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মীজানুর রহমান বলেন, শিক্ষকদের ক্লাসে আরো যত্নশীল হওয়া উচিত। ছাত্ররা ক্লাস করেনা এটা শুধুমাত্র ছাত্রদের দোষ না। আমার ক্লাসে আমি কখনো কোনো অমনোযোগী ছাত্র দেখিনি। উপস্থিতির উপর কোনো নাম্বার ছিল না তার পরও ক্লাসে একটা সিটও কখনো ফাকা থাকতো না। আশাকরি শিক্ষকরা এ ব্যাপারটি লক্ষ করবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষকদের বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় পারদর্শী হতে হবে।শিক্ষকরা ছাত্রদের অবিভাবক হতে হবে। ছাত্র শিক্ষকের মধ্যে দূরত্ব কমাতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে।

অধ্যাপক খোদেজা খাতুনের সভাপতিত্বে আরোও বক্তব্য রাখেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আতিয়ার হোসেন ও কলা অনুষদের সাবেক ডিন ড. মোঃ সেলিম।

আলোচনা শেষে ইতিহাস বিভাগ ১২তম ব্যাচের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।