১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পোলা-মাইয়া লই কষ্টে আছি

২৫টি মারমা পরিবারের বাস খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ফাতেমানগর গ্রামে। তাদের বেশির ভাগেরই অবস্থা দারিদ্র্যসীমার নিচে। বাস করে জরাজীর্ণ ঘরে।

পরিবারের সদস্যরা জঙ্গল থেকে কাঠ, কচু শাক, ঢেঁকি শাক, থানকুনিপাতাসহ নানা শাকজাতীয় পাতা তুলে আনে। তারপর তা বাজারে বিক্রি করেই চলে সংসারের খরচ। পিছিয়ে রয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রেও।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবারগুলোর চিত্র অত্যন্ত করুণ। মৃত ঊষাঅং মারমার স্ত্রী হ্লাউমা মারমা (৫০) ও মৃত পাইরুইঅং মগের স্ত্রী পুইসং মগ (৫৫) বলেন, ‘আমরা তো ঘর ন পাই, পোলা-মাইয়া লই এরে কষ্টে আছি। ভাঙা ঘরে খাট নাই, চকি নাই, মাটিতে শুয়ে কোনো রকম রাত কাটাই।’

ওই দুই নারী জানান, জঙ্গলে এখন আর আগের মতো শাকসবজি নেই। ফলে মানবেতর দিন যাপন করছেন তাঁরা। বর্ষা মৌসুম এলেই বিপদ আরো বাড়ে। ঘরের ছাউনির ফুটো দিয়ে ঘরে পড়ে পানি। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা বাড়ি পেতে তাঁরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি চান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুবই আন্তরিক। ওনার নজরে এলে তাঁরা নিরাশ হবেন না। এ ব্যাপারে নিজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরেজমিনে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া অসহায়দের সার্বিক সহযোগিতা দিতে উপজেলা প্রশাসন সব সময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।’

ট্যাগ :

পাবনায় ৪টি বিপন্ন পাতিসরালি হাঁস উদ্ধার, পাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অবমুক্ত

পোলা-মাইয়া লই কষ্টে আছি

প্রকাশিত : ১২:০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

২৫টি মারমা পরিবারের বাস খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ফাতেমানগর গ্রামে। তাদের বেশির ভাগেরই অবস্থা দারিদ্র্যসীমার নিচে। বাস করে জরাজীর্ণ ঘরে।

পরিবারের সদস্যরা জঙ্গল থেকে কাঠ, কচু শাক, ঢেঁকি শাক, থানকুনিপাতাসহ নানা শাকজাতীয় পাতা তুলে আনে। তারপর তা বাজারে বিক্রি করেই চলে সংসারের খরচ। পিছিয়ে রয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রেও।

সরেজমিনে দেখা যায়, পরিবারগুলোর চিত্র অত্যন্ত করুণ। মৃত ঊষাঅং মারমার স্ত্রী হ্লাউমা মারমা (৫০) ও মৃত পাইরুইঅং মগের স্ত্রী পুইসং মগ (৫৫) বলেন, ‘আমরা তো ঘর ন পাই, পোলা-মাইয়া লই এরে কষ্টে আছি। ভাঙা ঘরে খাট নাই, চকি নাই, মাটিতে শুয়ে কোনো রকম রাত কাটাই।’

ওই দুই নারী জানান, জঙ্গলে এখন আর আগের মতো শাকসবজি নেই। ফলে মানবেতর দিন যাপন করছেন তাঁরা। বর্ষা মৌসুম এলেই বিপদ আরো বাড়ে। ঘরের ছাউনির ফুটো দিয়ে ঘরে পড়ে পানি। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাকা বাড়ি পেতে তাঁরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি চান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার দেব বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুবই আন্তরিক। ওনার নজরে এলে তাঁরা নিরাশ হবেন না। এ ব্যাপারে নিজে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরেজমিনে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া অসহায়দের সার্বিক সহযোগিতা দিতে উপজেলা প্রশাসন সব সময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে।’