০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন

নির্বাচন নিয়ে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেবে।

 

 

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের, দলের না। নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমাদের যত ধাপ আছে সবকিছুই এই লক্ষ্য মাথায় রেখেই পরিচালিত হচ্ছে। আমরা মাথার মধ্যে এটাই রাখছি, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, আমরা ফেব্রুয়ারিতে চলে যাব।’

এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দল বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলে। ওইটা একটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। আপনারা এটা সব সময় দেখেছেন। বাংলাদেশে ট্র্যাডিশনালি এসব রাজনৈতিক কথাবার্তা হতো, এখনো ঠিক ওরকমভাবেই কথাবার্তা হচ্ছে। কথাবার্তায় খুব বেশি গুণগত পরিবর্তন হয়নি। ফলে নির্বাচনের সময়ে কে কী বলবেন এটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখবেন।’

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আছি। আমাদের স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) সর্বজন স্বীকৃত একজন বিশ্বপর্যায়ের নন্দিত মানুষ। উনি নিজে ঘোষণা করেছেন। তার এ ঘোষণা থেকে আমাদের পিছিয়ে আসার বিন্দুমাত্র চিন্তা নাই।’

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন সংস্কারের জন্য যে সুপারিশগুলো এসেছে, সে অনুযায়ী আগামী দু’মাসের মধ্যে আইন প্রণয়ন করা হবে। এই কাজ আজ থেকেই শুরু হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন

প্রকাশিত : ০৫:৫০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

নির্বাচন নিয়ে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেবে।

 

 

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের, দলের না। নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমাদের যত ধাপ আছে সবকিছুই এই লক্ষ্য মাথায় রেখেই পরিচালিত হচ্ছে। আমরা মাথার মধ্যে এটাই রাখছি, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন, আমরা ফেব্রুয়ারিতে চলে যাব।’

এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক দল বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কথা বলে। ওইটা একটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। আপনারা এটা সব সময় দেখেছেন। বাংলাদেশে ট্র্যাডিশনালি এসব রাজনৈতিক কথাবার্তা হতো, এখনো ঠিক ওরকমভাবেই কথাবার্তা হচ্ছে। কথাবার্তায় খুব বেশি গুণগত পরিবর্তন হয়নি। ফলে নির্বাচনের সময়ে কে কী বলবেন এটা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখবেন।’

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আছি। আমাদের স্যার (প্রধান উপদেষ্টা) সর্বজন স্বীকৃত একজন বিশ্বপর্যায়ের নন্দিত মানুষ। উনি নিজে ঘোষণা করেছেন। তার এ ঘোষণা থেকে আমাদের পিছিয়ে আসার বিন্দুমাত্র চিন্তা নাই।’

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন সংস্কারের জন্য যে সুপারিশগুলো এসেছে, সে অনুযায়ী আগামী দু’মাসের মধ্যে আইন প্রণয়ন করা হবে। এই কাজ আজ থেকেই শুরু হবে।