০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে পুরো ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

মিয়ানমারে এবার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে জান্তা সরকার। বিবিসির খবরে বলা হয়, নেটব্লকস ইন্টারনেট অবজারভেটরির তথ্যমতে, প্রায় পুরো ইন্টারনেট সেবাই বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম।

সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে দেশটিতে আজ শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে। প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারী ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রাস্তায় মিছিল করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘সামরিক স্বৈরাচার নিপাত যাক, নিপাত যাক; গণতন্ত্রের জয় হোক, জয় হোক’ বলে স্লোগান দেন। তাঁরা মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি ও বন্দী নেতাদের মুক্তি দাবি করেন। তবে পুলিশ বিক্ষোভ দমাতে শিল্ড হাতে সিটি সেন্টারের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রেখেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাশট্যাগউইনিডডেমোক্রেসি, হ্যাশট্যাগহিয়ারদ্য ভয়েস অবমিয়ানমার ও ফ্রিডম ফর ফিয়ার নামে আন্দোলন চলে। এসব বিক্ষোভ দমাতে মিয়ানমার সরকার গত বৃহস্পতিবার ফেসবুক বন্ধ করে দেয়। মিয়ানমারে ফেসবুক মানুষের খবর পাওয়ার প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। সেনা অভ্যুত্থান ও বিক্ষোভের নানা খবর ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক বন্ধের পরে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে কয়েক হাজার ব্যবহারকারী সক্রিয় হন। তাঁরা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ জানাতে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার শুরু করেন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ আসে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। এএফপির খবর বলছে, তাদের কাছে মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হয়নি—এমন নথিপত্র রয়েছে। তাতে বলা আছে, দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই জনগণকে ভুলপথে নিয়ে যাচ্ছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মিয়ানমারে পুরো ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

প্রকাশিত : ০৭:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

মিয়ানমারে এবার ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে জান্তা সরকার। বিবিসির খবরে বলা হয়, নেটব্লকস ইন্টারনেট অবজারভেটরির তথ্যমতে, প্রায় পুরো ইন্টারনেট সেবাই বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম।

সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে দেশটিতে আজ শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে। প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারী ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রাস্তায় মিছিল করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘সামরিক স্বৈরাচার নিপাত যাক, নিপাত যাক; গণতন্ত্রের জয় হোক, জয় হোক’ বলে স্লোগান দেন। তাঁরা মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি ও বন্দী নেতাদের মুক্তি দাবি করেন। তবে পুলিশ বিক্ষোভ দমাতে শিল্ড হাতে সিটি সেন্টারের প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রেখেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হ্যাশট্যাগউইনিডডেমোক্রেসি, হ্যাশট্যাগহিয়ারদ্য ভয়েস অবমিয়ানমার ও ফ্রিডম ফর ফিয়ার নামে আন্দোলন চলে। এসব বিক্ষোভ দমাতে মিয়ানমার সরকার গত বৃহস্পতিবার ফেসবুক বন্ধ করে দেয়। মিয়ানমারে ফেসবুক মানুষের খবর পাওয়ার প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। সেনা অভ্যুত্থান ও বিক্ষোভের নানা খবর ফেসবুকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক বন্ধের পরে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে কয়েক হাজার ব্যবহারকারী সক্রিয় হন। তাঁরা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদ জানাতে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার শুরু করেন। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ আসে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। এএফপির খবর বলছে, তাদের কাছে মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হয়নি—এমন নথিপত্র রয়েছে। তাতে বলা আছে, দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই জনগণকে ভুলপথে নিয়ে যাচ্ছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর