১০:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

করোনাকালীন সময়েও সিট ভাড়া নেয়ায় ক্ষোভ কুবি আবাসিক শিক্ষার্থীদের!

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়(কুবি) আবাসিক হলে না থেকেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসতে সিট ভাড়া নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে গত ২১ শে ডিসেম্বর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়।কিন্তু করোনাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন মেসের ভাড়া ৬০ শতাংশ মওকুফ করলেও অাবাসিক হলগুলোর সিট ভাড়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। এতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি এর সাথে সিট ভাড়াও দিতে হচ্ছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী এ.জে. রাব্বি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “করোনাকালীন সময়ে মানবিকতার টানে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে ব্যক্তিমালিকানাধীন মেসের ভাড়া অর্ধেক মওকুফ বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। অথচ আবাসিক হলগুলোতে এখনো সে ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এটি দু:খজনক।যারা সবাইকে পথ দেখালেন তারা নিজের বেলায় কিভাবে এতোটা উদাসীন হয় তা আমার জানা নেই। আমরা আশা করছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অচিরেই এই সমস্যার সমাধান করবেন।”
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো আবু তাহের বলেন, “এটা তেমন আহামরি কোনো বিষয় নয়। শিক্ষার্থীরা লিখিত আবেদন জানালে আমরা মওকুফের ব্যবস্থা করে দিব এবং উপাচার্য স্যারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলব।”

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

করোনাকালীন সময়েও সিট ভাড়া নেয়ায় ক্ষোভ কুবি আবাসিক শিক্ষার্থীদের!

প্রকাশিত : ০৯:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়(কুবি) আবাসিক হলে না থেকেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসতে সিট ভাড়া নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে গত ২১ শে ডিসেম্বর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়।কিন্তু করোনাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন মেসের ভাড়া ৬০ শতাংশ মওকুফ করলেও অাবাসিক হলগুলোর সিট ভাড়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। এতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি এর সাথে সিট ভাড়াও দিতে হচ্ছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী এ.জে. রাব্বি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “করোনাকালীন সময়ে মানবিকতার টানে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবে ব্যক্তিমালিকানাধীন মেসের ভাড়া অর্ধেক মওকুফ বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। অথচ আবাসিক হলগুলোতে এখনো সে ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এটি দু:খজনক।যারা সবাইকে পথ দেখালেন তারা নিজের বেলায় কিভাবে এতোটা উদাসীন হয় তা আমার জানা নেই। আমরা আশা করছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অচিরেই এই সমস্যার সমাধান করবেন।”
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো আবু তাহের বলেন, “এটা তেমন আহামরি কোনো বিষয় নয়। শিক্ষার্থীরা লিখিত আবেদন জানালে আমরা মওকুফের ব্যবস্থা করে দিব এবং উপাচার্য স্যারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলব।”

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ