০২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ঠেকানো যাচ্ছে না মাদকের চোরাচালান

জলে, স্থলে, আকাশপথে- মাদকের চালান ঢুকছে নানা উপায়ে। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না চোরাচালান। প্রতিদিন শুধু রাজধানীতেই মাদক কারবারে জড়িত অন্তত একশোজনকে আটক করছে পুলিশ। তবে এতো কিছুর পরও থামছে কি মাদকের দৌরাত্ম্য? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। পুলিশ বলছে, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নির্মূল অসম্ভব।

চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে- স্লোগান নিয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয় ২০১৮ সালের ৪ মে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

একের পর এক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধরা পড়ে মাদকের বড় বড় চালান। তারপরেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। পুলিশের অভিযানে মাদকের বড় বড় চালান ধরা পড়ার ঘটনায় মাদক চোরাচালানের কৌশল পরিবর্তন শুরু করে ব্যবসায়ীরা। নিত্য নতুন কায়দায় প্রতিনিয়ত মাদকের চালান আসছে রাজধানীতে।

পুলিশ বলছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকলেও মাদক কারবারিরা বসে নেই। আর মাদকসেবীদের সংখ্যাও বেড়েই চলছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ন-কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, মাদকসেবীদের যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় মাদকের চাহিদা যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ কোন কোন জায়গা থেকে মাদক সংগ্রহ করবেই। এবং মাদক ব্যবসায়ীরাও যেভাবে হোক ক্রেতার কাছে এটা পৌঁছে দেবে।

গুলশান বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, ইয়াবাগুলো প্রথম নদী পথে আসে। সেগুলো কক্সবাজার থেকে কখনো আকাশপথে প্লেন ও হেলিকপ্টার করে আসে। এবং বাসে ও ট্রেনেও আসে।

প্রতিদিন রাজধানীতেই মাদকবিরোধী অভিযানে অন্তত ১০০ জনের বেশি মাদক কারবারি আটক হচ্ছে। উদ্ধার করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।

অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবচেয়ে বেশি তৎপর হতে হবে। একই সঙ্গে পরিবার থেকে সন্তানদেরে দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া মাদক কেন্দ্রিক ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাদকের চোরাচালান রোধে সীমান্তে আরো কঠোর নজরদারির পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঠেকানো যাচ্ছে না মাদকের চোরাচালান

প্রকাশিত : ১১:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জলে, স্থলে, আকাশপথে- মাদকের চালান ঢুকছে নানা উপায়ে। কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না চোরাচালান। প্রতিদিন শুধু রাজধানীতেই মাদক কারবারে জড়িত অন্তত একশোজনকে আটক করছে পুলিশ। তবে এতো কিছুর পরও থামছে কি মাদকের দৌরাত্ম্য? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। পুলিশ বলছে, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে নির্মূল অসম্ভব।

চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে- স্লোগান নিয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয় ২০১৮ সালের ৪ মে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

একের পর এক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ধরা পড়ে মাদকের বড় বড় চালান। তারপরেও হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। পুলিশের অভিযানে মাদকের বড় বড় চালান ধরা পড়ার ঘটনায় মাদক চোরাচালানের কৌশল পরিবর্তন শুরু করে ব্যবসায়ীরা। নিত্য নতুন কায়দায় প্রতিনিয়ত মাদকের চালান আসছে রাজধানীতে।

পুলিশ বলছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকলেও মাদক কারবারিরা বসে নেই। আর মাদকসেবীদের সংখ্যাও বেড়েই চলছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ন-কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, মাদকসেবীদের যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় মাদকের চাহিদা যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণ কোন কোন জায়গা থেকে মাদক সংগ্রহ করবেই। এবং মাদক ব্যবসায়ীরাও যেভাবে হোক ক্রেতার কাছে এটা পৌঁছে দেবে।

গুলশান বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, ইয়াবাগুলো প্রথম নদী পথে আসে। সেগুলো কক্সবাজার থেকে কখনো আকাশপথে প্লেন ও হেলিকপ্টার করে আসে। এবং বাসে ও ট্রেনেও আসে।

প্রতিদিন রাজধানীতেই মাদকবিরোধী অভিযানে অন্তত ১০০ জনের বেশি মাদক কারবারি আটক হচ্ছে। উদ্ধার করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।

অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবচেয়ে বেশি তৎপর হতে হবে। একই সঙ্গে পরিবার থেকে সন্তানদেরে দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়া মাদক কেন্দ্রিক ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাদকের চোরাচালান রোধে সীমান্তে আরো কঠোর নজরদারির পরামর্শ বিশ্লেষকদের।