০২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

ভালো নেই নলছিটি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আ.মন্নান ফারুক্কী

আ.মন্নান ফারুক্কী

অনেকটা নিরবেই দিন কেটে যাচ্ছে নলছিটি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নলছিটির প্রবীন সাংবাদিক জ্ঞানের ভান্ডার আ.মন্নান ফারুক্কী’র। হার্ট সমস্যা ও উচ্চরক্তচাপসহ নানান শারিরীক সমস্যার কারনে এখন সারাদিন নিজের বাসাতেই সময় কাটাতে হচেছ।সাংবাদিকতা তার নেশা হলেও পেশায় তিনি একজন আর্টিস্ট। নলছিটি গার্লস স্কুল সড়কে তার একটি আর্টের প্রতিষ্ঠান ছিল। সেখানের আয় দিয়েই তার সংসার চলতো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল ব্যানার হওয়ার কারনে কাজ নেই বললেই চলে,তাই সেই প্রতিষ্ঠানও এখন নেই।

প্রবীন এই সাংবাদিক ষাটের দশকে নলছিটি উপজেলার পৌর এলাকার শীতলপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন তার বাবার নাম মো.বদরউদ্দিন ও মাতা লালবড়ু বেগম। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনিই সবার বড়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই তিনি সাংবাদিকতা পেশায় নাম লেখান,খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনবার্তা থেকে তার সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি শুরু হয়।

এরপর কাজ করেছেন সেই সময়কার দৈনিক আজাদ,দৈনিক সংগ্রাম,দৈনিক আল-আমিনসহ অসংখ্য দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়।একান্ত আলাপে তিনি বলেন,আমাদের সময় সাংবাদিকতা এত সহজ ছিল না,প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বড়ই অভাব ছিল। তারপর একটি সংবাদ পাঠিয়ে সেটা প্রিন্ট হয়ে আসার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতো। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত, তার চার মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তাকে তার মেঝ মেয়ের আয় দিয়েই সব খরচ চালাতে হচ্ছে ,এ বিষয়ে তিনি বলেন আমার তেমন জমা বলতে কিছুই নেই এমনকি জীবনে কোনদিন ব্যাংকে একাউন্টও করিনি, এছাড়া আমার নামে কোন জমিজমাও নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

ভালো নেই নলছিটি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক আ.মন্নান ফারুক্কী

প্রকাশিত : ০৫:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

অনেকটা নিরবেই দিন কেটে যাচ্ছে নলছিটি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নলছিটির প্রবীন সাংবাদিক জ্ঞানের ভান্ডার আ.মন্নান ফারুক্কী’র। হার্ট সমস্যা ও উচ্চরক্তচাপসহ নানান শারিরীক সমস্যার কারনে এখন সারাদিন নিজের বাসাতেই সময় কাটাতে হচেছ।সাংবাদিকতা তার নেশা হলেও পেশায় তিনি একজন আর্টিস্ট। নলছিটি গার্লস স্কুল সড়কে তার একটি আর্টের প্রতিষ্ঠান ছিল। সেখানের আয় দিয়েই তার সংসার চলতো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল ব্যানার হওয়ার কারনে কাজ নেই বললেই চলে,তাই সেই প্রতিষ্ঠানও এখন নেই।

প্রবীন এই সাংবাদিক ষাটের দশকে নলছিটি উপজেলার পৌর এলাকার শীতলপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন তার বাবার নাম মো.বদরউদ্দিন ও মাতা লালবড়ু বেগম। তিন ভাই বোনের মধ্যে তিনিই সবার বড়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই তিনি সাংবাদিকতা পেশায় নাম লেখান,খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক জনবার্তা থেকে তার সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি শুরু হয়।

এরপর কাজ করেছেন সেই সময়কার দৈনিক আজাদ,দৈনিক সংগ্রাম,দৈনিক আল-আমিনসহ অসংখ্য দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায়।একান্ত আলাপে তিনি বলেন,আমাদের সময় সাংবাদিকতা এত সহজ ছিল না,প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বড়ই অভাব ছিল। তারপর একটি সংবাদ পাঠিয়ে সেটা প্রিন্ট হয়ে আসার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতো। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত, তার চার মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বর্তমানে তাকে তার মেঝ মেয়ের আয় দিয়েই সব খরচ চালাতে হচ্ছে ,এ বিষয়ে তিনি বলেন আমার তেমন জমা বলতে কিছুই নেই এমনকি জীবনে কোনদিন ব্যাংকে একাউন্টও করিনি, এছাড়া আমার নামে কোন জমিজমাও নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ