০৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বুড়িচংয়ে নিখোঁজের পর: ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পুকুরে মিলল ভারতীয় ছাত্রের লাশ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিখোঁজের দুই দিন পর আদনান নামে এক ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আদনান ভারতের জম্মু-কাশ্মীর এলাকার বাসিন্দা এবং ওই মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও নিহতের মা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি আদনানের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর আদনান তাঁর মাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। পড়াশোনায় কিছুটা অমনোযোগী থাকায় পরিবারের সদস্যরা অনেকটা জোর করেই তাঁকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। গত ২ নভেম্বর রাতে তিনি কলেজের হোস্টেল থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন।

এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও তাঁর মা গতকাল মঙ্গলবার বুড়িচং থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।

এরই মধ্যে বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন পুকুরে তাঁর মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

তবে কী কারণে আদনানের মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশি তদন্তে রয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর, দুই বিষয়ে সুযোগ

বুড়িচংয়ে নিখোঁজের পর: ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের পুকুরে মিলল ভারতীয় ছাত্রের লাশ

প্রকাশিত : ০৫:২৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে নিখোঁজের দুই দিন পর আদনান নামে এক ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আদনান ভারতের জম্মু-কাশ্মীর এলাকার বাসিন্দা এবং ওই মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও নিহতের মা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি আদনানের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর আদনান তাঁর মাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। পড়াশোনায় কিছুটা অমনোযোগী থাকায় পরিবারের সদস্যরা অনেকটা জোর করেই তাঁকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। গত ২ নভেম্বর রাতে তিনি কলেজের হোস্টেল থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন।

এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ও তাঁর মা গতকাল মঙ্গলবার বুড়িচং থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে পুলিশ বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।

এরই মধ্যে বুধবার সকালে কলেজসংলগ্ন পুকুরে তাঁর মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

তবে কী কারণে আদনানের মৃত্যু হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশি তদন্তে রয়েছে।

ডিএস./