বন্দর ধামগড় ইউনিয়নের গকুলদাসেরবাগ এলাকায় আয়োজিত এক আলোচনা সবায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বলেছেন, আমার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মারা গেছেন, করোনার কারনে ১ বছর উন্নয়ন করতে পারেনি। তাই আমি আশা করবো, ৬টি ইউনিয়নে পুনরায় আগের চেয়ারম্যানদের নির্বাচিত করুন। গোগনগরে জসিমকে নির্বাচিত করুন । মাসুম নির্বাচিত হলে ধামগড়ের কোন উন্নয়ন বাকি থাকবে না। গতকাল বিকালে তিনি এক জনসভায় একথা বলেন।
তিনি বলেন আজকে আমি চেয়ারম্যানদের কথা বলছি এইজন্য যে, গত এক বছর তারা কিছু করতে পারেনি। আমাদের নীল-নকশা করা আছে। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে আমাদের কাজগুলি সম্পন্ন করতে হবে। সিটি করপোরেশনে না পারলেও আমি মনে করি আমরা প্রত্যেকটা ইউনিয়নে এক একটা শিক্ষিত যুবক যুবতী তৈরী করতে পারবো। আমি শুধু ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য কাজ করি। আমি দান করি না। কখনোই আমি দান করি না। আমি যদি ডান হাত দিয়ে দান করি তাহলে আমার বাম হাতও জানতে পারবে না। আমি আমার দায়িত্ব পালন করি। আমি সরকারী টাকা খরচ করে আমি বলি না আমি এটা করে দিলাম। এমনকি আপনাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেন না, ওনি বলেন, আমরা এটা করে দিলাম। আরেকজন বলেন আমি এটা করে দিলাম। এটা ওনার বাপের সম্পদ। যেটা করছেন সেটা আমাদের পরিশ্রমের পয়সা। আমরা টেক্স দিয়েছি, টেক্সের বিনিময়ে আপনি আমাদের জায়গাটার উন্নয়ন করে দিতে বাধ্য। যাই উন্নয়ন হচ্ছে একজনই উন্নয়ন করছে সেটা হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি আরো বলেন, আমার অত্যন্ত প্রিয় মানুষ বাবু খোকন সাহা, চন্দনশীল, আমার সন্তানের মত আবু হাসনাত বাদল, তার পরেও যারা আছে নিজামউদ্দিন, হেলাল, সাজনু, নিপু এরা অনেক সময় পার করেছে।
শামীম ওসমান যদি সংসদ সদস্য হতে পারে তাহলে তারাও সংসদ সদস্য হতে পারে। শুধু মাত্র সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কে কোন পোস্টটায় বসবে। আমি অনুরোধ করে বলছি আবু হাসনাত বাদলকে তুমি আগামীতে মেয়র নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নাও।
কে কি বলল সেটা ব্যপার না। নির্বাচন আমাদের করতেই হবে, পরিবর্তন হবেই হবে। তিনিবলেন, আজকের এই আয়োজন একটি আলোচনা সভা, জনসভা নয়। আপনাদের মধ্য থেকে কেউ যদি কিছু বলতে চান সেগুলি শুনাই আমার দরকার ছিল। কিন্তু কোন এক জায়গা থেকে একটা বিশ্রী ব্যপার নিয়ে আজকে এখানে অনেক কথা হয়ে গেছে। এটা সেলিম ওসমানের মনোনয়নে না, সেলিম ওসমানের মনোনয়ন দেওয়ার যোগ্যতা নাই। তোমরা জনগণের কাছে যাও, তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করো। । কাজিমউদ্দিন ভাই রেগে গেলেন সঙ্গে সঙ্গে আমার তিন ছোট ভাই (খোকন সাহা, বাবু চন্দনশীল ও ভিপি বাদল)ও রেগে গেল। আর একটু যদি বক্তব্য হতো তাহলে আমার মনে হয় সারা রাত কেটে যেত।
ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান ও বন্দর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ রশীদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি বাবু চন্দনশীল, সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক সানাউল্লাহ সানু, বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজিমউদ্দিন প্রধান।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















