০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় তছনছ চিকিৎসক পরিবার

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার রশিদপুরে দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে গেল সিলেটের একটি চিকিৎসক পরিবার। পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন ডা. ইমরান খান রুমেল। স্ত্রী ডা. অন্তরা আক্তারও মৃত্যুর ক্ষণ গুণছেন। অবশ্য বাবা-মায়ের সঙ্গে না থাকায় বেঁচে গেছে তাদের দুই শিশু এনায়া ও ইন্তেজা। ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবার আগে তাদের নানার বাসায় রেখে যান মা-বাবা।
ডা. অন্তরা আক্তার বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দিতে সিলেট থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী ডা. ইমরান।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার রশিদপুরের অদূরবর্তী ব্রিজের কাছে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮ জন যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন ডা. ইমরান। স্ত্রী ডা. অন্তরার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
জানা গেছে, সিলেট নগরীর ফাজিলচিশত এলাকার বাসিন্দা প্রখ্যাত প্যাথলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন। তার এক ছেলে রুমেল ও এক মেয়ে নূরী ছিলেন। দুই সন্তানই ডাক্তার। তাদের একমাত্র ছেলে ছিলেন ডা. রুমেল শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পুত্র শোকে কাতর বাবা আমজাদ হোসেন এখন ব্যস্ত পুত্রবধূ ডা. অন্তরাকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেই চেষ্টায়। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন তিনি।

রুমেল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে সিলেট নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই কন্যা শিশু রয়েছে। পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে ৫ জন ডাক্তার।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, ২০ সদস্যকে পুরস্কার প্রদান

দক্ষিণ সুরমায় সড়ক দুর্ঘটনায় তছনছ চিকিৎসক পরিবার

প্রকাশিত : ০৪:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার রশিদপুরে দুর্ঘটনায় তছনছ হয়ে গেল সিলেটের একটি চিকিৎসক পরিবার। পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন ডা. ইমরান খান রুমেল। স্ত্রী ডা. অন্তরা আক্তারও মৃত্যুর ক্ষণ গুণছেন। অবশ্য বাবা-মায়ের সঙ্গে না থাকায় বেঁচে গেছে তাদের দুই শিশু এনায়া ও ইন্তেজা। ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবার আগে তাদের নানার বাসায় রেখে যান মা-বাবা।
ডা. অন্তরা আক্তার বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দিতে সিলেট থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্বামী ডা. ইমরান।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার রশিদপুরের অদূরবর্তী ব্রিজের কাছে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮ জন যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন ডা. ইমরান। স্ত্রী ডা. অন্তরার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
জানা গেছে, সিলেট নগরীর ফাজিলচিশত এলাকার বাসিন্দা প্রখ্যাত প্যাথলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন। তার এক ছেলে রুমেল ও এক মেয়ে নূরী ছিলেন। দুই সন্তানই ডাক্তার। তাদের একমাত্র ছেলে ছিলেন ডা. রুমেল শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। পুত্র শোকে কাতর বাবা আমজাদ হোসেন এখন ব্যস্ত পুত্রবধূ ডা. অন্তরাকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেই চেষ্টায়। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালে অবস্থান করছেন তিনি।

রুমেল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে সিলেট নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই কন্যা শিশু রয়েছে। পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে ৫ জন ডাক্তার।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ