০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

মেহেরপুরে মটরশুটির চাষ বেড়েছে

একটা সময় মেহেরপুরের অনাবাদি জমিতে মটরশুটি চাষ হতো। এখন সমতল জমিতে মটোরশুটি চাষ হচ্ছে। লাভবানও হচ্ছে কৃষক। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মটরশুটি চাষ লক্ষ্যনীয়।

এবার সমতলসহ অনাবাদি মিলে ৫০ হেক্টর জমিতে মটরশুটির আবাদ হয়েছে। জেলার মটরশুটি চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ অঞ্চলের কৃষকরা মূলত ধান চাষের উপর নির্ভরশীল। কাজিপুর গ্রামের কৃষক মোস্তফা বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এবার তিনি একবিঘা জমিতে মটরশুটি চাষ করেছেন। ক্ষেতে মটরশুটি গাছের অবস্থা দেখে মনে হয় এবার আমাদের ভাগ্যর অনেকটা পরিবর্তন হবে।

একই গ্রামের সামাদ আলী, আবুল হোসেন, মজনু খাঁ জানান, প্রতি একর জমিতে মটরশুটি আবাদে হাল চাষ, বীজ, সারসহ সর্বসাকুল্যে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। প্রতি একর জমিতে অন্তত ৩৩ থেকে ৩৫ মণ মটরশুটি উৎপাদন হয়। বর্তমান বাজার দরে প্রতি একরের উৎপাদিত মটরশুটি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করা যাবে। মেহেরপুরের গাংনীর চিৎলা বীজ খামারে দেখা যায় মটরশুটি ক্ষেতের সবুজের সমারোহ।

ফুলে ফলে ভরে গেছে মটরশুটি গাছ। জেলা শহরের কাচাবাজারে দেখা যায় প্রতিদিন কয়েকমণ মটরশুটি সবজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। মটরশুটি বিক্রেতা আকবর আলী বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এখন যেকোন সবজির স্বাদ বাড়াতে মটরশুটির মিশেল দেয়।

এজন্য দিনদিন মটরশুটির ভোক্তা বাড়ছে। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আক্তারুজ্জামান বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, কম খরচে প্রচুর লাভ হওয়ায় দিন দিন কৃষকরা মটরশুটি আবাদের দিকে ঝুকে পড়ছে। এবার মটরশুটির বাম্পার ফলন হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মেহেরপুরে মটরশুটির চাষ বেড়েছে

প্রকাশিত : ১০:৪২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

একটা সময় মেহেরপুরের অনাবাদি জমিতে মটরশুটি চাষ হতো। এখন সমতল জমিতে মটোরশুটি চাষ হচ্ছে। লাভবানও হচ্ছে কৃষক। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় মটরশুটি চাষ লক্ষ্যনীয়।

এবার সমতলসহ অনাবাদি মিলে ৫০ হেক্টর জমিতে মটরশুটির আবাদ হয়েছে। জেলার মটরশুটি চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ অঞ্চলের কৃষকরা মূলত ধান চাষের উপর নির্ভরশীল। কাজিপুর গ্রামের কৃষক মোস্তফা বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এবার তিনি একবিঘা জমিতে মটরশুটি চাষ করেছেন। ক্ষেতে মটরশুটি গাছের অবস্থা দেখে মনে হয় এবার আমাদের ভাগ্যর অনেকটা পরিবর্তন হবে।

একই গ্রামের সামাদ আলী, আবুল হোসেন, মজনু খাঁ জানান, প্রতি একর জমিতে মটরশুটি আবাদে হাল চাষ, বীজ, সারসহ সর্বসাকুল্যে খরচ হয় ১৫ হাজার টাকা। প্রতি একর জমিতে অন্তত ৩৩ থেকে ৩৫ মণ মটরশুটি উৎপাদন হয়। বর্তমান বাজার দরে প্রতি একরের উৎপাদিত মটরশুটি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করা যাবে। মেহেরপুরের গাংনীর চিৎলা বীজ খামারে দেখা যায় মটরশুটি ক্ষেতের সবুজের সমারোহ।

ফুলে ফলে ভরে গেছে মটরশুটি গাছ। জেলা শহরের কাচাবাজারে দেখা যায় প্রতিদিন কয়েকমণ মটরশুটি সবজি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। মটরশুটি বিক্রেতা আকবর আলী বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, এখন যেকোন সবজির স্বাদ বাড়াতে মটরশুটির মিশেল দেয়।

এজন্য দিনদিন মটরশুটির ভোক্তা বাড়ছে। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আক্তারুজ্জামান বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, কম খরচে প্রচুর লাভ হওয়ায় দিন দিন কৃষকরা মটরশুটি আবাদের দিকে ঝুকে পড়ছে। এবার মটরশুটির বাম্পার ফলন হয়েছে।