০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিহতের বাড়িতে পুলিশ সুপার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর সিএনজি ফিলিং স্টেশনে তুচ্ছ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) রাতে ছুরিকাঘাতে সিএনজি চালক জলিল মিয়ার নিহতের ঘটনায় শুক্রবার (৫ মার্চ) রাতে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া শফি ও তার দুই ভাইসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই খলিল মিয়া বাদি হয়ে এ মামলাটি করেন। এদিকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেলে মরদেহ আলীনগর গ্রামে পৌঁছলে রাত সাড়ে ৮টায় নামাজে জানাজা সম্পন্ন করে জলিল মিয়াকে দাফন করা হয়।
নির্মমভাবে ছুিরকাঘাতে নিহত সিএনজি চালককে খুনের ঘটনায় শনিবার সকালে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া সরেজমিন ঘটনাস্থল শমশেরনগর সিএনজি ফিলিং স্টেশন এলাকা পরিদর্শণ করে প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া নিহতের বাড়ি গিয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবার সদস্যদের সমবেদনা জ্ঞাপন করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকরণে পুলিশি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান বলেন, শুক্রবার রাতে নিহত সিএনজি অটোর চালক জলিল মিয়ার বড় ভাই খলিল মিয়া বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া শফিকে। তার সাথে পর্যায়ক্রমে রয়েছে তার ছোট ভাই জেলা যুবদলের নেতা গোলাম রাব্বানী তৈমুর, তার ভাই কমলগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নি মুহিত,সাইফুল ইসলাম ও আলম মিয়া। এছাড়া আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন,শনিবার সকালে পুলিশ সুপারের সরেজমিন পরিদর্শণ, মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নিহতের বাড়িতে যাবার সত্যতাও নিশ্চিত করেন। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার, রাতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে আগে গ্যাস ফিলিং করতে কারের লাইনে চলে যায় সিএনজি অটো চালক জলিল মিয়া। এ নিয়ে গ্যাস ভরতে আসা কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফির সাথে ও তার চালক হামিদ মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় অটো চালক জলিলকে উপর্যপরিভাবে ছুরিকাঘাত করলে রাতেই সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জলিলকে মৃত ঘোষনা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

নিহতের বাড়িতে পুলিশ সুপার

প্রকাশিত : ০৪:০৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের শমশেরনগর সিএনজি ফিলিং স্টেশনে তুচ্ছ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) রাতে ছুরিকাঘাতে সিএনজি চালক জলিল মিয়ার নিহতের ঘটনায় শুক্রবার (৫ মার্চ) রাতে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া শফি ও তার দুই ভাইসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত কয়েক জনকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। নিহতের বড় ভাই খলিল মিয়া বাদি হয়ে এ মামলাটি করেন। এদিকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার বিকেলে মরদেহ আলীনগর গ্রামে পৌঁছলে রাত সাড়ে ৮টায় নামাজে জানাজা সম্পন্ন করে জলিল মিয়াকে দাফন করা হয়।
নির্মমভাবে ছুিরকাঘাতে নিহত সিএনজি চালককে খুনের ঘটনায় শনিবার সকালে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া সরেজমিন ঘটনাস্থল শমশেরনগর সিএনজি ফিলিং স্টেশন এলাকা পরিদর্শণ করে প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া নিহতের বাড়ি গিয়ে শোক সন্তপ্ত পরিবার সদস্যদের সমবেদনা জ্ঞাপন করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকরণে পুলিশি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।
কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান বলেন, শুক্রবার রাতে নিহত সিএনজি অটোর চালক জলিল মিয়ার বড় ভাই খলিল মিয়া বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া শফিকে। তার সাথে পর্যায়ক্রমে রয়েছে তার ছোট ভাই জেলা যুবদলের নেতা গোলাম রাব্বানী তৈমুর, তার ভাই কমলগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নি মুহিত,সাইফুল ইসলাম ও আলম মিয়া। এছাড়া আরও ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন,শনিবার সকালে পুলিশ সুপারের সরেজমিন পরিদর্শণ, মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নিহতের বাড়িতে যাবার সত্যতাও নিশ্চিত করেন। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার, রাতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে আগে গ্যাস ফিলিং করতে কারের লাইনে চলে যায় সিএনজি অটো চালক জলিল মিয়া। এ নিয়ে গ্যাস ভরতে আসা কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া শফির সাথে ও তার চালক হামিদ মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় অটো চালক জলিলকে উপর্যপরিভাবে ছুরিকাঘাত করলে রাতেই সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জলিলকে মৃত ঘোষনা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ