০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিয়ের পিঁড়িতে ফুটবলার সোহেল রানা

  • খেলা ডেস্ক:
  • প্রকাশিত : ০৮:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১
  • 55

ফেইসবুকে পরিচয়, এরপর দীর্ঘ ৬ বছরের বন্ধুত্ব। অতঃপর পরিণয়। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার ও ঢাকা আবাহনীর অধিনায়ক সোহেল রানা। কন্যা সিরাজগঞ্জের মেয়ে সায়েদা তামিলা সিরাজী। নতুন জীবনের পথচলায়, ভক্ত সমর্থকসহ সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সোহেল-সায়েদা দম্পতি।

জাতীয় দলের দুরন্ত মিডফিল্ডার। প্রতিপক্ষকে কাবু করেছেন বহুবারই। তবে এবার নিজেই হলেন কাবু। আর সেটা সায়েদা তামিলা সিরাজীর প্রেমে। তাইতো দুটো হাত আজ এক।

ভুবন ভোলানো হাসিটাই ভুলিয়েছে সোহেলকে। পরিচয়টা ২০১৫ সালে। তারপর চিনতে জানতে সময় নিয়েছে অর্ধ-যুগ। রাজধানীর এক হোটেলে অনেকটা ঘরোয়া ভাবেই হলো তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

সোহেল রানা বলেন, সবাই আমাদের জন্য দুয়া করবেন। সব সময় এক সাথেই থাকতে চাই।

ফুটবলার কিংবা কোন তারকার তকমা নয়। সাদাসিধে সোহেলকেই বড্ড ভালোলাগা সায়েদার। ভালোবেসে পাড়ি দিতে চান বন্ধুর পথ।

তিনি বলেন, সে অনেক ভাল একটা মানুষ। সারাজীবনই ওকে ভাল হিসেবেই জেনে যেতে চাই।

ফুটবলারদের ক্যাম্প বন্ধ থাকায় বিয়েতে ছিলেন না জাতীয় দল কিংবা কোন ক্লাব সতীর্থ। তাইতো পরবর্তীতে আরো বড় করে বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা এই দম্পতির।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিয়ের পিঁড়িতে ফুটবলার সোহেল রানা

প্রকাশিত : ০৮:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

ফেইসবুকে পরিচয়, এরপর দীর্ঘ ৬ বছরের বন্ধুত্ব। অতঃপর পরিণয়। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার ও ঢাকা আবাহনীর অধিনায়ক সোহেল রানা। কন্যা সিরাজগঞ্জের মেয়ে সায়েদা তামিলা সিরাজী। নতুন জীবনের পথচলায়, ভক্ত সমর্থকসহ সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সোহেল-সায়েদা দম্পতি।

জাতীয় দলের দুরন্ত মিডফিল্ডার। প্রতিপক্ষকে কাবু করেছেন বহুবারই। তবে এবার নিজেই হলেন কাবু। আর সেটা সায়েদা তামিলা সিরাজীর প্রেমে। তাইতো দুটো হাত আজ এক।

ভুবন ভোলানো হাসিটাই ভুলিয়েছে সোহেলকে। পরিচয়টা ২০১৫ সালে। তারপর চিনতে জানতে সময় নিয়েছে অর্ধ-যুগ। রাজধানীর এক হোটেলে অনেকটা ঘরোয়া ভাবেই হলো তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।

সোহেল রানা বলেন, সবাই আমাদের জন্য দুয়া করবেন। সব সময় এক সাথেই থাকতে চাই।

ফুটবলার কিংবা কোন তারকার তকমা নয়। সাদাসিধে সোহেলকেই বড্ড ভালোলাগা সায়েদার। ভালোবেসে পাড়ি দিতে চান বন্ধুর পথ।

তিনি বলেন, সে অনেক ভাল একটা মানুষ। সারাজীবনই ওকে ভাল হিসেবেই জেনে যেতে চাই।

ফুটবলারদের ক্যাম্প বন্ধ থাকায় বিয়েতে ছিলেন না জাতীয় দল কিংবা কোন ক্লাব সতীর্থ। তাইতো পরবর্তীতে আরো বড় করে বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা এই দম্পতির।