০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বড় ভাইকে খুন করে লাশ মাটিচাপা

নরসিংদীর মাধবদীতে নিখোঁজের সাত দিন পর সোহাগ মিয়া (২২) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সন্দেহবশত স্থানীয়রা ৯৯৯ এ ফোন দিলে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে মাধবদী থানার দাইরের পাড় গ্রাম থেকে মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহাগ মাধবদী থানার দাইরের পাড় গ্রামের সানাউল্লাহ মিয়ার ছেলে।

এর আগে, পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই জহিরুল ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে লাশ মাটির নিচে চাপা দেন।

পুলিশ জানায়, ২ মার্চ রাতে সোহাগ নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করে বাড়িতে ফিরে। এসময় সোহাগ রাগারাগি করে তার মাকে গালিগালাজ ও মারধর করে। এতে তার বাবা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও সোহাগ মারধর করে। পরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে নেশাগ্রস্ত সোহাগ। এসময় ছোট ভাই জহিরুল ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সোহাগের লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড়ে মাটিচাপা দিয়ে লাশ গুম করে রাখে।

এদিকে কয়েকদিন ধরে সোহাগকে দেখতে না পেয়ে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি অবহিত করেন। পরে মাধবদী থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এসময় পুলিশ নিহতের দুই ছোট ভাইয়ের স্ত্রীদের আটক করলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পাড় থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সৈয়দুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। হত্যার পর লাশটিকে গুম করে রাখা হয়েছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, ২০ সদস্যকে পুরস্কার প্রদান

বড় ভাইকে খুন করে লাশ মাটিচাপা

প্রকাশিত : ০৪:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১

নরসিংদীর মাধবদীতে নিখোঁজের সাত দিন পর সোহাগ মিয়া (২২) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সন্দেহবশত স্থানীয়রা ৯৯৯ এ ফোন দিলে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে মাধবদী থানার দাইরের পাড় গ্রাম থেকে মাটি খুঁড়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহাগ মাধবদী থানার দাইরের পাড় গ্রামের সানাউল্লাহ মিয়ার ছেলে।

এর আগে, পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই জহিরুল ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করে লাশ মাটির নিচে চাপা দেন।

পুলিশ জানায়, ২ মার্চ রাতে সোহাগ নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করে বাড়িতে ফিরে। এসময় সোহাগ রাগারাগি করে তার মাকে গালিগালাজ ও মারধর করে। এতে তার বাবা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকেও সোহাগ মারধর করে। পরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে নেশাগ্রস্ত সোহাগ। এসময় ছোট ভাই জহিরুল ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে সোহাগের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সোহাগের লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড়ে মাটিচাপা দিয়ে লাশ গুম করে রাখে।

এদিকে কয়েকদিন ধরে সোহাগকে দেখতে না পেয়ে সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করে ঘটনাটি অবহিত করেন। পরে মাধবদী থানা পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। এসময় পুলিশ নিহতের দুই ছোট ভাইয়ের স্ত্রীদের আটক করলে তাদের দেওয়া তথ্যমতে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের পাড় থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি খুঁড়ে সোহাগের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সৈয়দুজ্জামান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। হত্যার পর লাশটিকে গুম করে রাখা হয়েছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।