১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বাল্যবিবাহ বন্ধ করে আর্থিক সহযোগিতা করলেন নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খান

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মেয়ের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করলেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল ইসলাম খান। শুক্রবার উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যান ইউএনও। সেখানে গিয়ে দেখেন ওই গ্রামের আব্দুর রহিমানের মেয়ে মিম আক্তার (১৬ বছর ১০ মাস) কে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারনে তাড়াহুড়ো করে বাল্যবিবাহ দিতে যাচ্ছে পরিবার।

পরে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বিয়ে বন্ধ করে মেয়ের পরিবারকে নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং একটি সেলাই মেশিন ও একটি অটো রিস্কা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অপরদিকে দাউদকান্দি উপজেলার।পূর্বকাউয়াদি গ্রামে সাদিয়া আক্তার (১৬ বছর ১১ মাস) নামের আরেকটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন ইউএনও। পরিবার দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন,২০১৭ এর ৯ ধারা লংঘনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ০১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ না দেয়ার লিখিত অংগীকার আদায় করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিক আদায় হয়েছে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মইন উদ্দিন চৌধুরী নোয়াগাঁও গ্রামের মেম্বার মোঃ ওয়াসেক মিয়া বিটেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আসিফ সরদার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ট্রেনে ফিরতি যাত্রা : আজ বিক্রি হবে ৩১ মে’র টিকিট

বাল্যবিবাহ বন্ধ করে আর্থিক সহযোগিতা করলেন নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খান

প্রকাশিত : ১০:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মেয়ের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করলেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল ইসলাম খান। শুক্রবার উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে যান ইউএনও। সেখানে গিয়ে দেখেন ওই গ্রামের আব্দুর রহিমানের মেয়ে মিম আক্তার (১৬ বছর ১০ মাস) কে পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারনে তাড়াহুড়ো করে বাল্যবিবাহ দিতে যাচ্ছে পরিবার।

পরে উপজেলা নির্বাহি অফিসার বিয়ে বন্ধ করে মেয়ের পরিবারকে নগদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং একটি সেলাই মেশিন ও একটি অটো রিস্কা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অপরদিকে দাউদকান্দি উপজেলার।পূর্বকাউয়াদি গ্রামে সাদিয়া আক্তার (১৬ বছর ১১ মাস) নামের আরেকটি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেন ইউএনও। পরিবার দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন,২০১৭ এর ৯ ধারা লংঘনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ০১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়ার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ না দেয়ার লিখিত অংগীকার আদায় করা হয়। জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিক আদায় হয়েছে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মইন উদ্দিন চৌধুরী নোয়াগাঁও গ্রামের মেম্বার মোঃ ওয়াসেক মিয়া বিটেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আসিফ সরদার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ