০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজৈরে ইউপি চেয়ারম্যানে টিপুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুনীর্তির অভিযোগের তদন্ত শুরু

তিন নারী সদস্যসহ ৯ সদস্য অনাস্থা প্রকাশ করে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম । আজ সোমবার (১৫-৩-২১) আমগ্রাম ইউপি ভবনে সকলের উপস্থিতে এ তদন্তকার্য অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যা জাহিদুর রহমান টিপুর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ প্রত্রিকা সহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ওই ইউনিয়নের তিন নারী সদস্যসহ ৯ জন সদস্য স্বাক্ষরিত বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো অভিযোগ পত্রের মাধ্যমে জানাযায়, রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু ও সচিব অসীম কুমারের যোগসাজশে বিগত চার বছর যাবত পরিষদের অধিকাংশ নির্বাচিত সদস্যদের বাদ রেখে পরিষদের সকল সিদ্ধান্ত একাই নিয়ে বাস্তবায়ন করেন । এলজি এসপি, ওয়ানপার্সেন্ট, কাবিখা, ৪০ দিনের কাজ এডিপিসহ সকল সরকারি প্রকল্পের কাজ নামকাওয়াস্তে দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা উঠিয়ে নিজেই আতœসাত করেন । টাকার বিনিময় ছাড়া জনসাধারন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সেবা পায় না । মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর দুর্যোগ সহনীয় ঘর স্থান ভেদে ২০/৩০হাজার টাকা নিয়ে গরীবদের দেয়া হচ্ছে । এ ছাড়া ঘর দেয়ার নাম করে এ যাবত অসহায় গরীব মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছে চেয়ারম্যান। এমনকি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু ও তার ভাই টনি, রনি এবং তার বডিগার্ড তাপস ও সচিবের মাধ্যমে টিউবয়েল, বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড, ঘর ও বিধবা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা দেয়ার নাম করে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগকারি সদস্যরা তদন্ত কমিটির নিকট অভিযোগ তুলে ধরেন । এছাড়াও নারী সদস্যদের সাথে অসাদাচরন, অবহেলা ও বসার জায়গা না দেয়া , মাসিক মিটিং না করা, পুরানো লোহার ব্রিজের মালামাল দিয়ে নতুন ব্রিজের নির্মান কাজ দেখিয়ে বিল তুলে নেয়ারও অভিযোগ তুলে ধরেন। চেয়ারম্যান নিজের বাহিনী দিয়ে অন্যের ঘের ও জমি দখলের অভিযোগ অনেক পুরনো । চেয়ারম্যান মাত্র চার বছরে দায়িত্ব পালন কালে যথারীতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে । এব্যাপারে চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে সরকারের দেয়া যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নেব। সচিব অসীম কুমারও একই বক্তব্য দেন। তদন্তকারি কর্মকর্তা মাদারীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

রাজৈরে ইউপি চেয়ারম্যানে টিপুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুনীর্তির অভিযোগের তদন্ত শুরু

প্রকাশিত : ০৮:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

তিন নারী সদস্যসহ ৯ সদস্য অনাস্থা প্রকাশ করে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আনীত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম । আজ সোমবার (১৫-৩-২১) আমগ্রাম ইউপি ভবনে সকলের উপস্থিতে এ তদন্তকার্য অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যা জাহিদুর রহমান টিপুর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ প্রত্রিকা সহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ওই ইউনিয়নের তিন নারী সদস্যসহ ৯ জন সদস্য স্বাক্ষরিত বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো অভিযোগ পত্রের মাধ্যমে জানাযায়, রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু ও সচিব অসীম কুমারের যোগসাজশে বিগত চার বছর যাবত পরিষদের অধিকাংশ নির্বাচিত সদস্যদের বাদ রেখে পরিষদের সকল সিদ্ধান্ত একাই নিয়ে বাস্তবায়ন করেন । এলজি এসপি, ওয়ানপার্সেন্ট, কাবিখা, ৪০ দিনের কাজ এডিপিসহ সকল সরকারি প্রকল্পের কাজ নামকাওয়াস্তে দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা উঠিয়ে নিজেই আতœসাত করেন । টাকার বিনিময় ছাড়া জনসাধারন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সেবা পায় না । মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর দুর্যোগ সহনীয় ঘর স্থান ভেদে ২০/৩০হাজার টাকা নিয়ে গরীবদের দেয়া হচ্ছে । এ ছাড়া ঘর দেয়ার নাম করে এ যাবত অসহায় গরীব মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়েছে চেয়ারম্যান। এমনকি চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু ও তার ভাই টনি, রনি এবং তার বডিগার্ড তাপস ও সচিবের মাধ্যমে টিউবয়েল, বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড, ঘর ও বিধবা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা দেয়ার নাম করে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগকারি সদস্যরা তদন্ত কমিটির নিকট অভিযোগ তুলে ধরেন । এছাড়াও নারী সদস্যদের সাথে অসাদাচরন, অবহেলা ও বসার জায়গা না দেয়া , মাসিক মিটিং না করা, পুরানো লোহার ব্রিজের মালামাল দিয়ে নতুন ব্রিজের নির্মান কাজ দেখিয়ে বিল তুলে নেয়ারও অভিযোগ তুলে ধরেন। চেয়ারম্যান নিজের বাহিনী দিয়ে অন্যের ঘের ও জমি দখলের অভিযোগ অনেক পুরনো । চেয়ারম্যান মাত্র চার বছরে দায়িত্ব পালন কালে যথারীতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে । এব্যাপারে চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপু সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমানিত হলে সরকারের দেয়া যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নেব। সচিব অসীম কুমারও একই বক্তব্য দেন। তদন্তকারি কর্মকর্তা মাদারীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজহারুল ইসলাম বলেন, তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করবো।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ