বহুদিনের হাজারো সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ভুক্তভোগী মানুষের মুখে। পরিবেশ সুরক্ষায় স্বেচ্ছাসেবী বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন দেশের প্রতিটি সড়ক মহাসড়কে এই আন্দোলন চালিয়ে আসছে। পরিবেশকর্মী ও ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এস এম মিজান দীর্ঘপথ পরিক্রমায় নিজেকে স্বেচ্ছায় নিয়োজিত করেছেন মানুষের জন্য দেশের কল্যাণে।
দেশের দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরাই এরজন্য দায়ী। বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরাঁ, রিসোর্ট, হাসপাতাল, কলকারখানা, পোল্ট্রি ফার্ম, বেকারি, হাট-বাজারের বর্জ্য-আবর্জনা অপচনশীল পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, হাঁস- মুরগী এবং গরু ছাগলের নাড়িভুড়ি, ক্ষতিকারক কেমিক্যাল, রাসায়নিক দ্রব্য, এবং মারনাস্ত্র ই-বর্জ্য সবই ফেলা হচ্ছে মহাসড়কের দুইপাশে ও সড়কদ্বীপে।
এতে করে একদিকে নষ্ট হচ্ছে সৌন্দর্য অন্যদিকে পরিবেশে ঘটছে বিপর্যয়। চারিদিকে ছড়াচ্ছে ভয়াবহ দূষণ-দুর্গন্ধ। জাতীয় পরিচয়ের অংশ এই মহাসড়ক থেকে ময়লার মহামারী না থামালে মহাসড়কের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ আবর্জনার স্তূপে ঢেকে যাবে।
আমাদের প্রচেষ্টার সফলতাও রয়েছে অনেকখানি তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ময়লার ভাগার সরিয়ে ফুলবাগান।

সিদ্ধিরগঞ্জ চিটাগাং রোড থেকে শনির আখড়া পর্যন্ত দুইপাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে নার্সারি ও ফুল বাগান করতে উদ্বুদ্ধকরণ।সাইনবোর্ড মহাসড়ক থেকে চাষাড়া পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। কাঁচপুর মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনা স্তূপ সরিয়ে নিতে প্রচেষ্টা চালানো।মেঘনা ব্রীজের টোল বক্স এলাকায় ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে নানাবিধ চেষ্টা।ভাটেরচর, ভবেরচর মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনা সরিয়ে ফেলতে উদ্বুদ্ধকরণ।
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি গৌরীপুর মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে বালি ফেলতে উদ্বুদ্ধকরণ। ইলিয়টগঞ্জ মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে অন্যত্র ময়লা ফেলতে পরামর্শ প্রদান। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিমে বাজার অংশে মহাসড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ।চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে ও পশ্চিম পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করে বালি ফেলার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ। নিমসার সবজি বাজারের পশ্চিম পাশে ও পূর্ব পাশে এবং সড়কদ্বীপে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালানো।
ক্যান্টনমেন্টের নাজিরাবাজারে মহাসড়কের উত্তর পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে ব্যাপক তৎপরতা সত্ত্বেও প্রশাসন যেন নির্বিকার। আমতলী মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলতে উদ্বুদ্ধকরণ। আলেখারচর মহাসড়ক থেকে আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলতে উদ্বুদ্ধকরণ চলমান রয়েছে। সদর দক্ষিণ উপজেলার মহাসড়ক থেকে ময়লা আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলতে উদ্বুদ্ধকরণ অভিযান চলমান রয়েছে। এই কর্মসূচিতে পরিবেশকর্মী অধ্যাপক মতিন সৈকত যুক্ত হয়ে স্বেচ্ছায় কাজ করছেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হিসেবে।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান ও প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মাজেদ চৌধুরী এবং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, পরিবেশকর্মী এস এম মিজান অভিযানে অংশনেন। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর এলাকায় ময়লার ভাগারে তাঁরা ক্যাম্পেইনটি আয়োজন করেন। দেশের প্রশাসন কি এমন দৃশ্য দেখেননা? নাকি দেখেও বিষয়টি আমলে নিচ্ছেননা।
পরিকল্পিতভাবে যদি ময়লা আবর্জনা ফেলা হয় সড়ক মহাসড়কে তবে আমরা তাঁর শেষ দেখেই থামবো ইনশাআল্লাহ। বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন এই জনগুরুত্বপূর্ণ কাজটি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত আয়োজন করে আসছে।




















