০৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকায় নরেন্দ্র মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, শীর্ষ বৈঠক আজ

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের আয়োজনে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ দিনের ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া বিদেশি নেতাদের মধ্যে নরেন্দ্র মোদি পঞ্চম রাষ্ট্রীয় অতিথি।

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোদি ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’ বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। সকাল ১১টায় ফ্লাইট থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

এরপর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে মোদিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁকে স্বাগত জানানো হয় ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে।

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়। দুই প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে অস্থায়ী মঞ্চে দাঁড়িয়ে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

পরে দুই প্রধানমন্ত্রী একে অন্যকে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদি দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানানোকে অনন্য সৌজন্য হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বন্ধু দেশের এই সরকারপ্রধানের আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দর এলাকা বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। টার্মিনালের ওপরে এবং সামনে ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকার সজ্জা। ভিভিআইপি টার্মিনালের দুই পাশে দুই সরকারপ্রধানের ছবিও স্থাপন করা হয়।

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন : বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার পর নরেন্দ্র মোদি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান। সেখানে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শক বইয়ে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করে তাদের স্তব্ধ করা যায়নি। শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মগুলোকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে আমার প্রার্থনা, সাভারের এই চিরন্তন অগ্নিশিখা প্রবঞ্চনা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সত্য ও সাহসের মহান বিজয় নির্দেশক হিসেবে থাকবে।’

সফরসূচি অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গতকাল দুপুরে সোনারগাঁও হোটেলে ১৪ দল, জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও তরুণ প্রতিনিধিরা সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের শেষ দিনের অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ (সম্মানিত অতিথি) হিসেবে যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

এরপর সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যৌথভাবে ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু যাদুঘর’ উদ্বোধন করেন। সেখানে মোদি তাঁর সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেন।

আজকের কর্মসূচি : সফরের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ পরিদর্শন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলায় ওড়াকান্দি মন্দির এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুরে অবস্থিত যশোরেশ্বরী দেবী মন্দির পরিদর্শন করবেন। বিকেলে নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

একই সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভার্চুয়ালি যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর সন্ধ্যায় তিনি নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

আশুগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৪ মাদক কারবারি আটক

ঢাকায় নরেন্দ্র মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, শীর্ষ বৈঠক আজ

প্রকাশিত : ০৪:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের আয়োজনে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ দিনের ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া বিদেশি নেতাদের মধ্যে নরেন্দ্র মোদি পঞ্চম রাষ্ট্রীয় অতিথি।

গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোদি ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী ‘এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান’ বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। সকাল ১১টায় ফ্লাইট থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।

এরপর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে মোদিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁকে স্বাগত জানানো হয় ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে।

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়। দুই প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরে অস্থায়ী মঞ্চে দাঁড়িয়ে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

পরে দুই প্রধানমন্ত্রী একে অন্যকে নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদি দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানানোকে অনন্য সৌজন্য হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

বন্ধু দেশের এই সরকারপ্রধানের আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দর এলাকা বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। টার্মিনালের ওপরে এবং সামনে ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের পতাকার সজ্জা। ভিভিআইপি টার্মিনালের দুই পাশে দুই সরকারপ্রধানের ছবিও স্থাপন করা হয়।

স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন : বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার পর নরেন্দ্র মোদি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান। সেখানে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শক বইয়ে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করে তাদের স্তব্ধ করা যায়নি। শহীদদের আত্মত্যাগ আগামী প্রজন্মগুলোকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে আমার প্রার্থনা, সাভারের এই চিরন্তন অগ্নিশিখা প্রবঞ্চনা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সত্য ও সাহসের মহান বিজয় নির্দেশক হিসেবে থাকবে।’

সফরসূচি অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গতকাল দুপুরে সোনারগাঁও হোটেলে ১৪ দল, জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও তরুণ প্রতিনিধিরা সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের শেষ দিনের অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ (সম্মানিত অতিথি) হিসেবে যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

এরপর সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যৌথভাবে ‘বঙ্গবন্ধু-বাপু যাদুঘর’ উদ্বোধন করেন। সেখানে মোদি তাঁর সম্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেন।

আজকের কর্মসূচি : সফরের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ পরিদর্শন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলায় ওড়াকান্দি মন্দির এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুরে অবস্থিত যশোরেশ্বরী দেবী মন্দির পরিদর্শন করবেন। বিকেলে নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

একই সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভার্চুয়ালি যৌথভাবে বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর সন্ধ্যায় তিনি নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ