০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

২৯ এপ্রিল থেকে লঞ্চ চালাতে চান মালিকরা

চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ শেষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে লঞ্চও চালাতে চান মালিকরা। তারাও সরকারের কাছে তাদের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাতে। তবে মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২৫ এপ্রিল) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। ২৯ এপ্রিল থেকে বাস চালানোর দাবি জানিয়েছে মালিকরা।

গতকাল শুক্রবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে। লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়ছে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কঠোর হবে সরকার।

আজ শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, চলমান লকডাউনের পরে জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে সরকার গণপরিবহন চালুর সক্রিয় চিন্তা-ভাবনা করছে।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ‘আমরা লঞ্চ চালু করার দাবি জানিয়েছি। ২৯ এপ্রিল থেকে আমরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চালাতে চাই। নদীতে তো করোনা নেই। আগেও যখন আমরা লঞ্চ চালিয়েছি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চালিয়েছি। যাত্রীরাও আমাদের সহযোগিতা করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কিছুদিন ধরেই লঞ্চ চালু করার আবেদন জানিয়ে আসছি। কিন্তু আমাদের কথা শোনেনি। আমরা বলেছি, ছোট ছোট লঞ্চগুলো যেগুলো কাছাকাছি দূরত্বে চলাচল করে, এই লঞ্চের মালিকরা অনেকটা দিনে আনে দিনে খায়, এদের অবস্থা খুবই খারাপ। এই ধরনের লঞ্চের সংখ্যা সাড়ে ৬০০-এর মতো। যখন ঢাকার মধ্যে বাস ছাড়ল আমরা বলেছি, ছোট ছোট লঞ্চগুলো যেগুলো ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলাচল করে সেগুলো চলতে দেয়া হোক। কিন্তু অনুমতি দেয়া হয়নি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

২৯ এপ্রিল থেকে লঞ্চ চালাতে চান মালিকরা

প্রকাশিত : ০৬:১৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২১

চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ শেষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে লঞ্চও চালাতে চান মালিকরা। তারাও সরকারের কাছে তাদের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিএ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাতে। তবে মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২৫ এপ্রিল) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। ২৯ এপ্রিল থেকে বাস চালানোর দাবি জানিয়েছে মালিকরা।

গতকাল শুক্রবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে। লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়ছে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কঠোর হবে সরকার।

আজ শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, চলমান লকডাউনের পরে জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে সরকার গণপরিবহন চালুর সক্রিয় চিন্তা-ভাবনা করছে।

শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ‘আমরা লঞ্চ চালু করার দাবি জানিয়েছি। ২৯ এপ্রিল থেকে আমরাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে লঞ্চ চালাতে চাই। নদীতে তো করোনা নেই। আগেও যখন আমরা লঞ্চ চালিয়েছি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চালিয়েছি। যাত্রীরাও আমাদের সহযোগিতা করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কিছুদিন ধরেই লঞ্চ চালু করার আবেদন জানিয়ে আসছি। কিন্তু আমাদের কথা শোনেনি। আমরা বলেছি, ছোট ছোট লঞ্চগুলো যেগুলো কাছাকাছি দূরত্বে চলাচল করে, এই লঞ্চের মালিকরা অনেকটা দিনে আনে দিনে খায়, এদের অবস্থা খুবই খারাপ। এই ধরনের লঞ্চের সংখ্যা সাড়ে ৬০০-এর মতো। যখন ঢাকার মধ্যে বাস ছাড়ল আমরা বলেছি, ছোট ছোট লঞ্চগুলো যেগুলো ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলাচল করে সেগুলো চলতে দেয়া হোক। কিন্তু অনুমতি দেয়া হয়নি।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ