১২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ধোবাউড়ায় ৪২ কেজিতে ধানের মণ,চোরে না শুনে ধর্মের বাণী

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন হলেও কৃষক পাচ্ছে না ন্যায্য মূল্য। ধানের দাম কম হওয়ায় শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক। ৪০ কেজিতে ধানের মণ এটি যেন ধান ব্যবসায়ীদের কাছে অচল। তাদের কাছে ৪২ কেজিতে মণ। কৃষকরা এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও ধান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে তারা জিম্মি।
বিষয়টি নিয়ে গত ২৯ তারিখ বৃহস্পতিবার ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ধোবাউড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ীদের নিয়ে তার নিজ অফিস কক্ষে একটি সভা করে ৪০ কেজিতে মণ এবং ন্যায্য মুল্য দিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের নির্দেশনা দেন।কিন্তু চোরে না শুনে ধর্মের বাণী।
উক্ত সভার পূর্বে সকালে ধোবাউড়া বাজারে প্রতি মন(৪২ কেজি) মোটা ধান বিক্রি হচ্ছিল ৭৩০ টাকায়। কিন্তু সভা শেষ হওয়ার ২ ঘন্টার মধ্যেই ধান ব্যবসায়ীরা ধানের দাম মণ প্রতি ৫০ টাকা কমিয়ে দেয় এবং ৪২ কেজি মণ ধরেই ধান ক্রয় করছে।বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর পরও প্রশাসনকে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ধোবাউড়ার প্রতিটি বাজারেই ৪২ কেজি মণ হিসেবেই ধান ক্রয় করছে ব্যবসায়ীরা কিন্তু প্রশাসন নিরব। ধোবাউড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ী লাল মিয়া বলেন, যে মিলে আমরা ধান দেই সেখানে ৪২ কেজি করে দিতে হয়, কারণ কাচাধান ক্রয় করে শুকালে ২ কেজি কমে যায়।খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফ আলী ধান ব্যবসায়ীদের পক্ষে সাফাই গেয়ে বললেন, ৮৪ কেজিতে দুই মণ প্রায় সব উপজেলাতেই নিচ্ছে শুধু ধোবাউড়াতে নয়।এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার (তুষার) বলেন, বাড়তি ধান ক্রয়ের বিষয়টি অবগত আছি। সমাধানের চেষ্টা করছি। সঠিক মনিটরিং করে কৃষকের পাশে দাড়ানোর দাবি জানান,কৃষকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

“সবজির বাজার চড়া” নিম্ন ও মধ্যবিত্তের বাড়িয়েছে অস্বস্তি

ধোবাউড়ায় ৪২ কেজিতে ধানের মণ,চোরে না শুনে ধর্মের বাণী

প্রকাশিত : ০৪:৪০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন হলেও কৃষক পাচ্ছে না ন্যায্য মূল্য। ধানের দাম কম হওয়ায় শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক। ৪০ কেজিতে ধানের মণ এটি যেন ধান ব্যবসায়ীদের কাছে অচল। তাদের কাছে ৪২ কেজিতে মণ। কৃষকরা এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও ধান ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে তারা জিম্মি।
বিষয়টি নিয়ে গত ২৯ তারিখ বৃহস্পতিবার ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ধোবাউড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ীদের নিয়ে তার নিজ অফিস কক্ষে একটি সভা করে ৪০ কেজিতে মণ এবং ন্যায্য মুল্য দিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের নির্দেশনা দেন।কিন্তু চোরে না শুনে ধর্মের বাণী।
উক্ত সভার পূর্বে সকালে ধোবাউড়া বাজারে প্রতি মন(৪২ কেজি) মোটা ধান বিক্রি হচ্ছিল ৭৩০ টাকায়। কিন্তু সভা শেষ হওয়ার ২ ঘন্টার মধ্যেই ধান ব্যবসায়ীরা ধানের দাম মণ প্রতি ৫০ টাকা কমিয়ে দেয় এবং ৪২ কেজি মণ ধরেই ধান ক্রয় করছে।বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর পরও প্রশাসনকে কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ধোবাউড়ার প্রতিটি বাজারেই ৪২ কেজি মণ হিসেবেই ধান ক্রয় করছে ব্যবসায়ীরা কিন্তু প্রশাসন নিরব। ধোবাউড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ী লাল মিয়া বলেন, যে মিলে আমরা ধান দেই সেখানে ৪২ কেজি করে দিতে হয়, কারণ কাচাধান ক্রয় করে শুকালে ২ কেজি কমে যায়।খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফ আলী ধান ব্যবসায়ীদের পক্ষে সাফাই গেয়ে বললেন, ৮৪ কেজিতে দুই মণ প্রায় সব উপজেলাতেই নিচ্ছে শুধু ধোবাউড়াতে নয়।এই বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার (তুষার) বলেন, বাড়তি ধান ক্রয়ের বিষয়টি অবগত আছি। সমাধানের চেষ্টা করছি। সঠিক মনিটরিং করে কৃষকের পাশে দাড়ানোর দাবি জানান,কৃষকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ