০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে তালিকায় ‍আরও ২ দেশ

খালেদা জিয়া

করোনামুক্ত হলেও শারীরিকভাবে নানা জটিলতায় ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার পাশাপাশি অক্সিজেনের মাত্রাও বারবার উঠানামা করছে। তাছাড়া বিএনপি প্রধানের রক্তের সব রিপোর্টই নেতিবাচক। যে কোনো সময় তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হতে পারে। এরই মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকে লন্ডনে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে বিদেশ নিতে অনুমতি দেওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার বাকি।

বিএনপি নেতারা বলছেন, পছন্দের তালিকায় লন্ডনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আরও দুটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। সরকারের অনুমোদনের পরই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তবে আবেদনে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ না করলেও সেদিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তার পরিবার। এছাড়া সৌদি আরব, দুবাইয়ের কথাও শোনা যাচ্ছে। সেইসব দেশের দূতাবাস, হাইকমিশনার সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন তারা।

ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনেও বেগম জিয়ার পরিবার থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। বুধবার রাতেই খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার হাইকমিশনে যান। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পান তিনি। বাংলাদেশ সরকার অনুমতি দিলে তারাও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে জানা গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে তালিকায় ‍আরও ২ দেশ

প্রকাশিত : ০৫:২১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

করোনামুক্ত হলেও শারীরিকভাবে নানা জটিলতায় ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার পাশাপাশি অক্সিজেনের মাত্রাও বারবার উঠানামা করছে। তাছাড়া বিএনপি প্রধানের রক্তের সব রিপোর্টই নেতিবাচক। যে কোনো সময় তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হতে পারে। এরই মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকে লন্ডনে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে বিদেশ নিতে অনুমতি দেওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার বাকি।

বিএনপি নেতারা বলছেন, পছন্দের তালিকায় লন্ডনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আরও দুটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। সরকারের অনুমোদনের পরই এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তবে আবেদনে খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ না করলেও সেদিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে তার পরিবার। এছাড়া সৌদি আরব, দুবাইয়ের কথাও শোনা যাচ্ছে। সেইসব দেশের দূতাবাস, হাইকমিশনার সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন তারা।

ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনেও বেগম জিয়ার পরিবার থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। বুধবার রাতেই খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার হাইকমিশনে যান। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পান তিনি। বাংলাদেশ সরকার অনুমতি দিলে তারাও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে জানা গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ