০৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউটিউব দেখে পিস্তল তৈরি, প্রেমিকার বন্ধুকে গুলি

মানিকগঞ্জ শহরের বেউথা এলাকায় এহিয়া হোসেন মির্জা (১৬) নামে স্কুল ছাত্র গুলিতে আহত হয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বেউথা এলাকার হলি চাইল্ড স্কুলের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

এহিয়া হোসেন মির্জা সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি গ্রামের মৃত ইমরান হোসেনের ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।

ঘটনার পর পরেই মানিকগঞ্জ সদর পুলিশ সার্কেল ভাস্কর সাহা এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আকবর আলি খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্ত সিমান্তকে আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাত ১ টার দিকে অভিযুক্ত সিমান্তকে আটক করা হয়।

ঘটনার ব্যাপারে অভিযুক্ত সিমান্ত প্রাথমিকভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, আমার প্রেমিকার কাছে এহিয়া হোসেন মির্জা মাঝে মাঝেই আমার নামে খারাপ খারাপ কথা বলত। তার এসকল কথার কারনে আমাদের মাঝে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। রাগের মাথায় আমি সিদ্ধান্ত নেই এহিয়াকে ভয় দেখাব আর তাই ইউটিউব দেখে নিজেই ঘরে বসে বন্দুক তৈরি করি। এহিয়াকে ভয় দেখানোর এক পর্যায়ে আমার হাত বন্দুকের ট্রিগারে চাপ লাগলে শিশা দিয়ে তৈরি একটি গুলি তার শরীরে লাগে।

জেলা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স নবীন মিয়া জানান, আহত এহিয়ার ঘাড়ে একটি গুলি লেগেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আকবর আলী খান জানান- আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার নামে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

ইউটিউব দেখে পিস্তল তৈরি, প্রেমিকার বন্ধুকে গুলি

প্রকাশিত : ০৩:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মে ২০২১

মানিকগঞ্জ শহরের বেউথা এলাকায় এহিয়া হোসেন মির্জা (১৬) নামে স্কুল ছাত্র গুলিতে আহত হয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বেউথা এলাকার হলি চাইল্ড স্কুলের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

এহিয়া হোসেন মির্জা সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লি গ্রামের মৃত ইমরান হোসেনের ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।

ঘটনার পর পরেই মানিকগঞ্জ সদর পুলিশ সার্কেল ভাস্কর সাহা এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আকবর আলি খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও অভিযুক্ত সিমান্তকে আটকের জন্য অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাত ১ টার দিকে অভিযুক্ত সিমান্তকে আটক করা হয়।

ঘটনার ব্যাপারে অভিযুক্ত সিমান্ত প্রাথমিকভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করে বলেন, আমার প্রেমিকার কাছে এহিয়া হোসেন মির্জা মাঝে মাঝেই আমার নামে খারাপ খারাপ কথা বলত। তার এসকল কথার কারনে আমাদের মাঝে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। রাগের মাথায় আমি সিদ্ধান্ত নেই এহিয়াকে ভয় দেখাব আর তাই ইউটিউব দেখে নিজেই ঘরে বসে বন্দুক তৈরি করি। এহিয়াকে ভয় দেখানোর এক পর্যায়ে আমার হাত বন্দুকের ট্রিগারে চাপ লাগলে শিশা দিয়ে তৈরি একটি গুলি তার শরীরে লাগে।

জেলা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স নবীন মিয়া জানান, আহত এহিয়ার ঘাড়ে একটি গুলি লেগেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আকবর আলী খান জানান- আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার নামে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ