০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কমলগঞ্জে প্রতিবন্ধির ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ,পুলিশ সুপারে কাছে অভিযোগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুরে প্রতিবন্ধির খিজিরের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নিয়ে এখন আতœসাত করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার করম উদ্দিনের পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী হারুন রশিদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে খিজির ১৬মে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে বিচার প্রার্থী হয়েছেন। জানাযায়,রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের খোরশেদ আহমদের পুত্র প্রতিবন্ধি খিজির আহমেদ তার চিকিৎসার জন্য ৭০ হাজার টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। খিজির আহমদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, একই এলাকার করম উদ্দিনের পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী হারুন রশিদ ১ মে ২০১৯ ইং খিজিরের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নেন। হারুন রশিদ হ্যান্ড নোটে উল্লেখ করেন, জরুরী প্রয়োজনে ৭০ হাজার টাকা কর্জ নেন। কিন্তুু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও তিনি টাকা দিতে পারেন নাই। পরে বলেন, বছরে ২৫ মন ধান দিবেন। কিন্তুু টাকা নেওয়ার প্রায় আড়াই/তিন বছর অতিবাহিত হলেও টাকা পরিশোধ ও ধান দেয়াতো দুরের কথা এখন টাকা আতœসাত্বের পাঁয়তারা শুরু করেছে। প্রতিবন্ধির খিজির আরো উল্লেখ করেন, টাকা চাইয়া সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের কাছে বিচার দিলে হারুন রশীদ ঘরে এসে খুন করার হুমকি দিচ্ছে। এখন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এদিকে প্রতিবন্ধি খিজির আহমদের শরীরে এখন পচন ধরেছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। ছোট শিশুদের মত হাউ মাউ করে কাঁদছেন শরীরের যন্ত্রনায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

কমলগঞ্জে প্রতিবন্ধির ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ,পুলিশ সুপারে কাছে অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৫:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মে ২০২১

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুরে প্রতিবন্ধির খিজিরের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নিয়ে এখন আতœসাত করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার করম উদ্দিনের পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী হারুন রশিদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে খিজির ১৬মে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে বিচার প্রার্থী হয়েছেন। জানাযায়,রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের খোরশেদ আহমদের পুত্র প্রতিবন্ধি খিজির আহমেদ তার চিকিৎসার জন্য ৭০ হাজার টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। খিজির আহমদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, একই এলাকার করম উদ্দিনের পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী হারুন রশিদ ১ মে ২০১৯ ইং খিজিরের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নেন। হারুন রশিদ হ্যান্ড নোটে উল্লেখ করেন, জরুরী প্রয়োজনে ৭০ হাজার টাকা কর্জ নেন। কিন্তুু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও তিনি টাকা দিতে পারেন নাই। পরে বলেন, বছরে ২৫ মন ধান দিবেন। কিন্তুু টাকা নেওয়ার প্রায় আড়াই/তিন বছর অতিবাহিত হলেও টাকা পরিশোধ ও ধান দেয়াতো দুরের কথা এখন টাকা আতœসাত্বের পাঁয়তারা শুরু করেছে। প্রতিবন্ধির খিজির আরো উল্লেখ করেন, টাকা চাইয়া সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের কাছে বিচার দিলে হারুন রশীদ ঘরে এসে খুন করার হুমকি দিচ্ছে। এখন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এদিকে প্রতিবন্ধি খিজির আহমদের শরীরে এখন পচন ধরেছে। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি। ছোট শিশুদের মত হাউ মাউ করে কাঁদছেন শরীরের যন্ত্রনায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ