০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাতের আঁধারে কোটি টাকার সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার পাতারহাট বন্দরের হাসপাতাল রোডে সরকারি কোটি টাকার সম্পত্তি রাতের আঁধারে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন একটি প্রভাবশালী মহল। বিষয়টি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় এ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন অনেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাজারের প্রবীন এক ব্যবসায়ী বলেন, আজ থেকে প্রায় ৩/৪ বছর আগেও এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিলো।

বিদ্যালয়ের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় তা অন্যাথায় স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এই জায়গায় অলিখিত গাড়ী পার্কিংয়ের জন্য দেয় পৌরসভা। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কয়েক কোটি টাকার এই জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। দখলের সংবাদ পেয়ে প্রশাসন গিয়ে কাজ বন্ধ করে রেখে আসলেও পরবর্তীতে প্রশাসন সরে গেলে আবারো কাজ শুরু করেন। প্রশাসনের শত বাধা উপেক্ষা করে দখল অব্যাহত থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

সর্বশেষ সোমবার দিবাগত রাতে যেকোন সময় নতুন করে ওই জমিতে দোকানঘর তুলছেন দখলদাররা। এ বিষয়ে পৌর মেয়র আলহাজ্ব কামাল উদ্দীন খান বলেন, দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ রয়েছে এই জমি দখল করে প্রভাশালী একাধিক ব্যক্তি ঘর নির্মান করেন। সে থেকেই এই দখল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

রাতের আঁধারে কোটি টাকার সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

প্রকাশিত : ০৯:১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

মেহেন্দিগঞ্জ পৌরসভার পাতারহাট বন্দরের হাসপাতাল রোডে সরকারি কোটি টাকার সম্পত্তি রাতের আঁধারে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন একটি প্রভাবশালী মহল। বিষয়টি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় এ নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন অনেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাজারের প্রবীন এক ব্যবসায়ী বলেন, আজ থেকে প্রায় ৩/৪ বছর আগেও এখানে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিলো।

বিদ্যালয়ের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় তা অন্যাথায় স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এই জায়গায় অলিখিত গাড়ী পার্কিংয়ের জন্য দেয় পৌরসভা। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কয়েক কোটি টাকার এই জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। দখলের সংবাদ পেয়ে প্রশাসন গিয়ে কাজ বন্ধ করে রেখে আসলেও পরবর্তীতে প্রশাসন সরে গেলে আবারো কাজ শুরু করেন। প্রশাসনের শত বাধা উপেক্ষা করে দখল অব্যাহত থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

সর্বশেষ সোমবার দিবাগত রাতে যেকোন সময় নতুন করে ওই জমিতে দোকানঘর তুলছেন দখলদাররা। এ বিষয়ে পৌর মেয়র আলহাজ্ব কামাল উদ্দীন খান বলেন, দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ রয়েছে এই জমি দখল করে প্রভাশালী একাধিক ব্যক্তি ঘর নির্মান করেন। সে থেকেই এই দখল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ