পঞ্চগড়ে আইডিয়াল নামে একটি ক্লিনিককে সিলগালা করে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শহরের তেতুঁলিয়া রোডের ডোকরোপাড়া এলাকার ওই ক্লিনিকের স্বত্তাধিকারী মো. জাহিদ হোসেনকে এই অর্থদণ্ড প্রদান করেন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন।
এ সময় সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মো আতহার সিদ্দিকী, সদর থানার উপ-পরির্দশক মো. শামসুজ্জোহা সরকারসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা শহরের আইডিয়াল নামের ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করা হলে প্রতিষ্ঠানটির মালিক জাহিদ হোসেন ক্লিনিকের লাইসেন্স, প্রশিক্ষিত দক্ষ জনবল দেখাতে ব্যর্থ হন। একই সাথে ক্লিনিকটিতে সার্বক্ষনিক একজন মেডিকেল অফিসার না থাকায় মেডিকেল প্রাকটিস এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ এর ৮ ধারা ভঙ্গের অপরাধে ৫ হাজার টাকা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ২৭ এর ৫ উপধারা ভঙ্গের অপরাধে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ক্লিনিকের যাবতীয় মালামাল জব্দ করে সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া ক্লিনিকের যাবতীয় দেখভালের দ্বায়িত্ব পঞ্চগড় জেলা প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনিষ্টক এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলামকে দেয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত জানিয়েছে, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যদি সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারেন তবেই আবেদন সাপেক্ষে সিভিল সার্জন অথবা তার প্রতিনিধির মাধ্যমে জনসাধারণের জন্য ক্লিনিকটি খুলে দেওয়া হবে।
নিবার্হী ম্যাজস্ট্রেট ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পঞ্চগড় শহরের এই ক্লিনিককে সিলগালা ও জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অবৈধ ক্লিনিক পরিচালনাকারীদের আইনের আওতায় আনতে তালিকা তৈরী করা হয়েছে। প্রত্যেককে এই আইনের আওতায় আনা হবে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ



















