১০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

‘দেশে করোনা রোগীদের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত’

দেশে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৮০ ভাগই এই ভাইরাসের ভারতীয় ধরন হিসেবে পরিচিত ‘ডেল্টা ভেরিয়েন্টে’ আক্রান্ত বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডিএসএইচআই) এ গবেষণা চালিয়েছে।

শুক্রবার (৪ জুন) আইইডিসিআর’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জিনোম সিকুয়েন্স পরীক্ষা করে প্রাপ্ত এক ফলাফলের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা।

এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৬ নমুনায় ১৫টি, ঢাকার ৪টি নমুনার ২টি ও গোপালগঞ্জ থেকে ৭ নমুনার সবকটিই ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ আসা সাতজনের দেহে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

এর আগে আইইডিসিআর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক পরীক্ষা চালিয়ে জানায়, যারা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। আর গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে বলেও জানানো হয়।

গত ১১ মে দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার এ পর্যন্ত করোনভাইরাসের ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করেছে আইইডিসিআর। এর মধ্যে ৪০টি অর্থ্যাৎ ৮০শতাংশ নমুনায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, ১৬ শতাংশ নুমনায় বিটা ভ্যারিয়েন্ট অর্থ্যাৎ দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন শনাক্ত হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

‘দেশে করোনা রোগীদের ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত’

প্রকাশিত : ০২:৩৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুন ২০২১

দেশে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৮০ ভাগই এই ভাইরাসের ভারতীয় ধরন হিসেবে পরিচিত ‘ডেল্টা ভেরিয়েন্টে’ আক্রান্ত বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করে ৮০ শতাংশই ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডিএসএইচআই) এ গবেষণা চালিয়েছে।

শুক্রবার (৪ জুন) আইইডিসিআর’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জিনোম সিকুয়েন্স পরীক্ষা করে প্রাপ্ত এক ফলাফলের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তারা।

এরমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৬ নমুনায় ১৫টি, ঢাকার ৪টি নমুনার ২টি ও গোপালগঞ্জ থেকে ৭ নমুনার সবকটিই ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ আসা সাতজনের দেহে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে।

এর আগে আইইডিসিআর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এক পরীক্ষা চালিয়ে জানায়, যারা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা আগের চেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছেন। আর গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়ছে বলেও জানানো হয়।

গত ১১ মে দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার এ পর্যন্ত করোনভাইরাসের ৫০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করেছে আইইডিসিআর। এর মধ্যে ৪০টি অর্থ্যাৎ ৮০শতাংশ নমুনায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, ১৬ শতাংশ নুমনায় বিটা ভ্যারিয়েন্ট অর্থ্যাৎ দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন শনাক্ত হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার