নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভাগী পরিবারের সদস্যরা। সোমবার দুপুর উপজেলার মুড়াপাড়া মঠেরঘাট এলাকায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। এ সময় বক্তব্য রাখেন, গ্রেফতার কৃতদের বাবা আব্দুল হক, মা মাজেদা বেগম, ভাসুর মামুন মিয়ার স্ত্রী বিপাসা বেগম।
ভুক্তভাগীদের পরিবারের লোকজন দাবি করেন, গত ২ বছর আগে রূপগঞ্জ ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া এলাকার আবুল হাসান আমিরের সঙ্গে মুড়পাড়া ইউনিয়নের মীরকুটিরছও এলাকার নেহা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর আবুল হাসান আমির তার স্ত্রী নেহা আক্তারকে রেখে দুবাই চলে যায়। এদিকে স্বামী প্রবাস থাকার সুযোগে নেহা বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয় পড়েন। পরবর্তীতে ভারতীয় এক যুবকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার প্রেমর সম্পর্ক গড়ে উঠে । গত ৮ জুন গৃহবধূ নেহা আক্তার শ্বশুর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে ভারতীয় ওই ছেলের কাছে যাওয়ার জন্য পালিয়ে যায় । পরবর্তীতে এ ঘটনায় রপগঞ্জ থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভাসুর মামুন ও দেবর রাকিবুল ইসলামসহ পরিবারের সদস্যরা রূপগঞ্জ থানার এসআই মিরাজের সহযোগীতায় নেহাক ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় নেহার পরিবারের লোকজন পারিবারিকভাবে বিষয়টি মিমাংসা করার আশাস দিয়ে মামুন ও রাকিবুল ইসলামসহ তাদের পরিবারের সকল সদস্যদেরকে মীরকুটিরছঁও এলাকায় নেহা আক্তারর বাড়িতে ডাকেন । এ সময় তাদের মাঝে খাবার পরিবেশন করে পুলিশে খবর দেয় নেহার পরিবারের লোকজন । গত শুক্রবার বিকালে ভাসুর মামুন মিয়া ও দেবর রাকিবুল ইসলাম নেহার বাবার বাড়িতে গেলে পুলিশ তাদের ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করে রূপগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। এদিকে গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা ভাসুর মামুন মিয়া ও দেবর রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ তাদের ভিরূদ্ধে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনের দাবি জানান।
এর আগে, গত শুক্রবার (১২ জুন) রাতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূ তার ভাসুর ও দেবরকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন । পরে ওই রাতেই পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে শনিবার আদালতে পাঠায়।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, গৃহবধূ নেহার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার ভাসুর মামুন ও দেবর রাকিবুলর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে যা তদন্তনাধীন রয়েছে । পরবর্তীতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ



















