০১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

১১১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পেল ভূমি মালিকরা

কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের মধ্যে মোট ১১১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেক বিতরণ করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন টার্মিনাল ভবনে চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

জেলা প্রশাসন জানায়, ১১১ কোটি সাত লাখ ২৫ হাজার টাকা ৫ বছর ধরে সরকারি ব্যাংকে পড়ে থাকার লাভসহ ক্ষতিগ্রস্তরা এখন হাতে পাচ্ছে। একটু দেরি হলেও নিজের অধিকারটা সঠিকভাবে পাচ্ছে তারা। মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে ক্ষতিপূরণের টাকা পেলেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ বলেন, ‘বাইরের কোনো মধ্যস্বত্বভোগী আমাদের অফিসের নাম ব্যবহার করে ভাগ বসাতে পারেনি। যার যার ক্ষতিপূরণ তিনিই নিজ হাতে বুঝে পেয়েছেন।’

এ সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা সরাসরি ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। এখানে বাইরের কেউ যেন সুবিধা না নিতে পারে সেজন্য আমরা সচেতন রয়েছি। আমাদের টার্গেট হচ্ছে যাদের ক্ষতিপূরণ চেক দেবো তাদের প্রকল্প এলাকায় গিয়ে, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে দেবো। আমাদের এই ধারাবাহিতা যেন অব্যাহত থাকে সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা জমি, শ্রম দিয়ে ও নানাভাবে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক। এ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য কেউ কোনো প্রকারের টাকা দাবি করে থাকলে তা সরাসরি জেলা প্রশাসককে অবহিত করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য বিমানবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ যেন দালাল চক্র দ্বারা প্রতারিত না হয় সেদিকে প্রধানমন্ত্রীর নজরদারি রয়েছে। এক সময়ের অনুন্নত জায়গা এখন কোটি কোটি টাকায় অধিগ্রহণ হচ্ছে সেটা অবশ্য কক্সবাজারবাসীর জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো দালাল বা তৃতীয়পক্ষ না ধরে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখায় যোগাযোগ করলে অতি সহজে স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবেন।’

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, প্রেসক্লাব সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১১১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পেল ভূমি মালিকরা

প্রকাশিত : ১২:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১

কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের মধ্যে মোট ১১১ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেক বিতরণ করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। আজ বুধবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন টার্মিনাল ভবনে চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।

জেলা প্রশাসন জানায়, ১১১ কোটি সাত লাখ ২৫ হাজার টাকা ৫ বছর ধরে সরকারি ব্যাংকে পড়ে থাকার লাভসহ ক্ষতিগ্রস্তরা এখন হাতে পাচ্ছে। একটু দেরি হলেও নিজের অধিকারটা সঠিকভাবে পাচ্ছে তারা। মামলা মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে ক্ষতিপূরণের টাকা পেলেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আমিন আল পারভেজ বলেন, ‘বাইরের কোনো মধ্যস্বত্বভোগী আমাদের অফিসের নাম ব্যবহার করে ভাগ বসাতে পারেনি। যার যার ক্ষতিপূরণ তিনিই নিজ হাতে বুঝে পেয়েছেন।’

এ সময় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ বলেন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা সরাসরি ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। এখানে বাইরের কেউ যেন সুবিধা না নিতে পারে সেজন্য আমরা সচেতন রয়েছি। আমাদের টার্গেট হচ্ছে যাদের ক্ষতিপূরণ চেক দেবো তাদের প্রকল্প এলাকায় গিয়ে, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে দেবো। আমাদের এই ধারাবাহিতা যেন অব্যাহত থাকে সেজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা জমি, শ্রম দিয়ে ও নানাভাবে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক। এ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য কেউ কোনো প্রকারের টাকা দাবি করে থাকলে তা সরাসরি জেলা প্রশাসককে অবহিত করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য বিমানবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ যেন দালাল চক্র দ্বারা প্রতারিত না হয় সেদিকে প্রধানমন্ত্রীর নজরদারি রয়েছে। এক সময়ের অনুন্নত জায়গা এখন কোটি কোটি টাকায় অধিগ্রহণ হচ্ছে সেটা অবশ্য কক্সবাজারবাসীর জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো দালাল বা তৃতীয়পক্ষ না ধরে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখায় যোগাযোগ করলে অতি সহজে স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবেন।’

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মেয়র মজিবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, প্রেসক্লাব সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম প্রমুখ।