০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কটিয়াদীতে পাটের চড়ামূল্য, কৃষকের মুখে হাসি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় এবার সোনালী আঁশ ও অর্থকরী ফসল পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় ও চড়া মূল্যে বিক্রি করতে পেরে প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে উপজেলায় ১৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে।

কৃষকরা এবার প্রতি মণ পাট ৩২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত ধরে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে । যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। একজন কৃষক জানান, তিনি গত বছর গ্রামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ১৭০০ টাকা ধরে প্রতি মণ পাট বিক্রি করেছিলেন। তবে এবার দ্বিগুণ দাম পেয়ে অনেক খুশি।

চারিয়া গ্রামের কৃষক মো. শাহজাহান মিয়া জানান পাট উৎপাদনে খরচ কম। পরিশ্রমও তেমন করতে হয়না। তবে এলাকায় জলাশয় কম থাকায় পাট কেটে পানিতে পঁচানোর (জাগ) জায়গা না থাকায় পাট চাষে আগ্রহ কমেছে চাষীদের। ফলে প্রতি বছর কমছে পাটের আবাদ। সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

ভাংণাদী গ্রামের সজল মিয়া বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার পাটের ফলন অনেক বেশী হয়েছে। পাটের মূল্যও অনেক। ব্যবসায়ীরা বাড়ি থেকেই পাট ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।”

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুকশেদুল হক জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছর কমছে পাটের আবাদ। তবে এবছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাটের ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

কটিয়াদীতে পাটের চড়ামূল্য, কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশিত : ০৯:১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় এবার সোনালী আঁশ ও অর্থকরী ফসল পাটের বাম্পার ফলন হওয়ায় ও চড়া মূল্যে বিক্রি করতে পেরে প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে উপজেলায় ১৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে।

কৃষকরা এবার প্রতি মণ পাট ৩২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত ধরে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে । যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। একজন কৃষক জানান, তিনি গত বছর গ্রামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ১৭০০ টাকা ধরে প্রতি মণ পাট বিক্রি করেছিলেন। তবে এবার দ্বিগুণ দাম পেয়ে অনেক খুশি।

চারিয়া গ্রামের কৃষক মো. শাহজাহান মিয়া জানান পাট উৎপাদনে খরচ কম। পরিশ্রমও তেমন করতে হয়না। তবে এলাকায় জলাশয় কম থাকায় পাট কেটে পানিতে পঁচানোর (জাগ) জায়গা না থাকায় পাট চাষে আগ্রহ কমেছে চাষীদের। ফলে প্রতি বছর কমছে পাটের আবাদ। সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা।

ভাংণাদী গ্রামের সজল মিয়া বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার পাটের ফলন অনেক বেশী হয়েছে। পাটের মূল্যও অনেক। ব্যবসায়ীরা বাড়ি থেকেই পাট ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।”

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুকশেদুল হক জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছর কমছে পাটের আবাদ। তবে এবছর পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাটের ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর