১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ। তবে ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি বৃদ্ধির হারে এগিয়েছে। ইন্টারনেটের গতির এই চিত্র উঠে এসেছে সম্প্রতি ওকলা প্রকাশিত বৈশ্বিক সূচকে। ওকলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে এই বছরের জুলাই সময়কালে ব্রডব্যান্ডে বাংলাদেশের এই বৃদ্ধির হার ৪২.৫৯ শতাংশ।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটে দেশের গতি বাড়ার হার মাত্র ১৫.৩৮ শতাংশ। এই গড় বৈশ্বিক গড়ের মাত্র এক চতুর্থাংশ। বৈশ্বিক মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ৫৯.৫ শতাংশ। ইন্টারনেটের গতিতে শীর্ষস্থানীয় ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, চীন, সাইপ্রাস, নরওয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, অষ্ট্রেলিয়া ও বুলগেরিয়া।

ওকলার জুলাইয়ের প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল ইন্টারনেটের বৈশ্বিক গড় গতি ছিল ৫৫ এমবিপিএস। বাংলাদেশে যা ছিল ১২.৬ এমবিপিএস। প্রতিবেদন বলছে, বিগত বছরের জুলাইয়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল সেকেন্ডে ১০.৯২ মেগাবাইট (এমবিপিএস)। এই বছরের জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ১২.৬ এমবিপিএস।

একই সময়কালে বৈশ্বিক মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গতি ছিল ৩৪.৫২ এমবিপিএস। এবছরের জুলাইয়ে এসে এটি বেড়ে হয়েছে ৫৫.০৭ এমবিপিএস। প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল ইন্টারনেটের গতির সূচকে বাংলাদেশ সবসময়ই পিছিয়ে রয়েছে। জুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। ওকলার প্রতিবেদনে বিশ্বের নানা দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। নিয়মিত তারা এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিশ্বজুড়ে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ। তবে ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি বৃদ্ধির হারে এগিয়েছে। ইন্টারনেটের গতির এই চিত্র উঠে এসেছে সম্প্রতি ওকলা প্রকাশিত বৈশ্বিক সূচকে। ওকলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুলাই থেকে এই বছরের জুলাই সময়কালে ব্রডব্যান্ডে বাংলাদেশের এই বৃদ্ধির হার ৪২.৫৯ শতাংশ।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটে দেশের গতি বাড়ার হার মাত্র ১৫.৩৮ শতাংশ। এই গড় বৈশ্বিক গড়ের মাত্র এক চতুর্থাংশ। বৈশ্বিক মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ৫৯.৫ শতাংশ। ইন্টারনেটের গতিতে শীর্ষস্থানীয় ১০ দেশের তালিকায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, চীন, সাইপ্রাস, নরওয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, অষ্ট্রেলিয়া ও বুলগেরিয়া।

ওকলার জুলাইয়ের প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল ইন্টারনেটের বৈশ্বিক গড় গতি ছিল ৫৫ এমবিপিএস। বাংলাদেশে যা ছিল ১২.৬ এমবিপিএস। প্রতিবেদন বলছে, বিগত বছরের জুলাইয়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল সেকেন্ডে ১০.৯২ মেগাবাইট (এমবিপিএস)। এই বছরের জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ১২.৬ এমবিপিএস।

একই সময়কালে বৈশ্বিক মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গতি ছিল ৩৪.৫২ এমবিপিএস। এবছরের জুলাইয়ে এসে এটি বেড়ে হয়েছে ৫৫.০৭ এমবিপিএস। প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল ইন্টারনেটের গতির সূচকে বাংলাদেশ সবসময়ই পিছিয়ে রয়েছে। জুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৩৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৫তম। ওকলার প্রতিবেদনে বিশ্বের নানা দেশের গড় ইন্টারনেট গতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। নিয়মিত তারা এক মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী মাসের মাঝামাঝি প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করে।