০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

লালমনিরহাট সরকারি আবাসন গুলোর বেহাল দশা

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় মোট ১৪ টি আবাসনের প্রায় সব ক’টিই বসবাসের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জানাগেছে, ১৯৯৯ /২০০৪/২০০৯ সালে গৃহহীনদের জন্য আবাসস্থল নির্মাণ করে সরকার। সরেজমিনে দেখা গেছে, সাপটানা এলাকার সাপটানা-১ আবাসন প্রকল্পের ১৪০ টি ঘড়, ১৪০ টি পরিবারকে বরাদ্দ দেওয়া হলেও অনেকেই তা ব্যবহার না করে অন্যত্র গিয়ে বসবাস ও দিনাতিপাত করছে এবং নিয়ম বহির্বত ভাবে নিজের ঘর টাকার বিনিময়ে অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করেছে অনেকে। ঘর গুলো ব্যবহার না করার কারণে পাশের ঘর গুলো ব্যাবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অপরদিকে আবাসনের বাসিন্দারা জানিয়েছে, বর্তমানে আবাসন জরাজীর্ণ থাকায় আশ্রয়নের বাসিন্দা ও বহিরাগতরা রাতে সেখানেই বসায় মাদক ও জুয়ার আসর। ঐ আবাসনের কয়েক জন সুবিধাভোগী উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে ঋণ সুবিধা নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। যা উত্তোলনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ সমবায় সংশ্লিষ্টরা। হতদরিদ্রদের দেওয়া সরকারের এ সুবিধা নিয়ে চলে যাওয়ায় নতুন করে আবাসন বাসি পাচ্ছে না কোনো ঋণ সুবিধা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ২০০৯ সালে নির্মিত সাপটানা আবাসন – ১প্রকল্প সংস্কারের প্রয়োজন বলে মনে করছে আবাসনে বসবাসরত বাসিন্দারা। সরকারি এ স্থাপনা রক্ষায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, আবাসন কমিটির সদস্যরা।
এবিষয়ে লালমনিরহাট পৌরসভা এলাকার সাপটানা -১ আবাসনের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ রাশেদ ইসলাম বলেন, আবাসনের ঘড়গুলো সংস্কারের পাশাপাশি চলাচলের রাস্তা পাকা করে, আবাসন এলাকায় বসবাসরত সকল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিদ্যালয় নির্মাণ করে দেবেন। মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য যে মসজিদ আছে তাও জরাজীর্ণ, মসজিদটি পুনঃনির্মাণের আহ্বান জানান তিনি। আর এবিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল হক বলেন, ১৯৯৮-১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সালে যে সকল সরকারী আবাসন নির্মিত হয়েছে বর্তমানে সেগুলো বসবাসের অনুপযোগী তবে, অনেক গৃহহীন পরিবার সেখানেই কোনরকম টিনের চালা তৈরি করে বসবাস করছেন। আবাসন গুলি সংস্কারের প্রয়োজন, মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি, দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। এদিকে ঋণ খেলাপি গ্রহীতাদের কথা জানতে চাইলে সমবায় কর্মকর্তা বলেন, অনেক ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর তারা হতদরিদ্র হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মানবিক কারণে মামলাও দেওয়া যাচ্ছে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে মাদক সহ গ্রেফতার

লালমনিরহাট সরকারি আবাসন গুলোর বেহাল দশা

প্রকাশিত : ০৭:৫১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

লালমনিরহাট সদর উপজেলায় মোট ১৪ টি আবাসনের প্রায় সব ক’টিই বসবাসের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জানাগেছে, ১৯৯৯ /২০০৪/২০০৯ সালে গৃহহীনদের জন্য আবাসস্থল নির্মাণ করে সরকার। সরেজমিনে দেখা গেছে, সাপটানা এলাকার সাপটানা-১ আবাসন প্রকল্পের ১৪০ টি ঘড়, ১৪০ টি পরিবারকে বরাদ্দ দেওয়া হলেও অনেকেই তা ব্যবহার না করে অন্যত্র গিয়ে বসবাস ও দিনাতিপাত করছে এবং নিয়ম বহির্বত ভাবে নিজের ঘর টাকার বিনিময়ে অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করেছে অনেকে। ঘর গুলো ব্যবহার না করার কারণে পাশের ঘর গুলো ব্যাবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অপরদিকে আবাসনের বাসিন্দারা জানিয়েছে, বর্তমানে আবাসন জরাজীর্ণ থাকায় আশ্রয়নের বাসিন্দা ও বহিরাগতরা রাতে সেখানেই বসায় মাদক ও জুয়ার আসর। ঐ আবাসনের কয়েক জন সুবিধাভোগী উপজেলা সমবায় কার্যালয় থেকে ঋণ সুবিধা নিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। যা উত্তোলনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ সমবায় সংশ্লিষ্টরা। হতদরিদ্রদের দেওয়া সরকারের এ সুবিধা নিয়ে চলে যাওয়ায় নতুন করে আবাসন বাসি পাচ্ছে না কোনো ঋণ সুবিধা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ২০০৯ সালে নির্মিত সাপটানা আবাসন – ১প্রকল্প সংস্কারের প্রয়োজন বলে মনে করছে আবাসনে বসবাসরত বাসিন্দারা। সরকারি এ স্থাপনা রক্ষায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, আবাসন কমিটির সদস্যরা।
এবিষয়ে লালমনিরহাট পৌরসভা এলাকার সাপটানা -১ আবাসনের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ রাশেদ ইসলাম বলেন, আবাসনের ঘড়গুলো সংস্কারের পাশাপাশি চলাচলের রাস্তা পাকা করে, আবাসন এলাকায় বসবাসরত সকল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিদ্যালয় নির্মাণ করে দেবেন। মুসল্লিদের নামাজ পড়ার জন্য যে মসজিদ আছে তাও জরাজীর্ণ, মসজিদটি পুনঃনির্মাণের আহ্বান জানান তিনি। আর এবিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ রিয়াজুল হক বলেন, ১৯৯৮-১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সালে যে সকল সরকারী আবাসন নির্মিত হয়েছে বর্তমানে সেগুলো বসবাসের অনুপযোগী তবে, অনেক গৃহহীন পরিবার সেখানেই কোনরকম টিনের চালা তৈরি করে বসবাস করছেন। আবাসন গুলি সংস্কারের প্রয়োজন, মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি, দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তারা। এদিকে ঋণ খেলাপি গ্রহীতাদের কথা জানতে চাইলে সমবায় কর্মকর্তা বলেন, অনেক ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর তারা হতদরিদ্র হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মানবিক কারণে মামলাও দেওয়া যাচ্ছে না।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ