নরসিংদীর রায়পুরায় এ বছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাষ হয়েছে আমন ধান। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের মাঠে বেড়েছে পোকার উপদ্রব। পোকা নিয়ন্ত্রন না করতে পেরে চিন্তিত কৃষক। বিস্তৃৃত সবুজের মাঠ সমৃদ্ধির জানান দিচ্ছে মাঠে মাঠে। বাতাসের সাথে দুল খাচ্ছে সবুজে সমারোহ ধানের জমি। ধান গাছের ডগায় বের হবে ধানের শীষ। অগ্রহায়ন মাসে শুরু হবে ধান কাটা গ্রামীণ জনপদসহ সর্বত্রই শুরু হবে নবান্ন উৎসব। এরই মাঝে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে আমণের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। ৮৪১০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে উপজেলায় ৮৮২০ হেক্টর জমিতে রোপা আমণ ধান আবাদ করা হয়েছে। আবহওয়া অনুকূূলে থাকলে ফলনও ভালো পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর লক্ষমাত্রার ৮৫৩০ হেক্টরের বিপরীতে অর্জিত হয় ৮৭১০ হেক্টর। চলতি মৌসুমে আমণ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৪১০ হেক্টর কিন্তু আবাদ হয়েছে ৮৮২০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪১০ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে। উপজেলর একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে রোগবালাইয়ের আক্রমণ বেশি হয়েছে। তারপরও এ বছর আমণের আবাদ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা করছি। কৃষক হারুনুর রশিদ বলেন, ১ বিঘা জমিতে চাষ করেছি রোগবালাইয়ের আক্রমণ বেশি ছিলো। ১০ শতক জমিতে উচ্চ ফলনশীল ধান পাকতে শুরু হয়েছে। জমিতে ইঁদুরের উপদ্রব বেড়েছে।
কৃষক আ: ছালাম বলেন, এ বছর কীটনাশকসহ অন্যান্য উপকরণ অধিক পরিমাণে ব্যায় হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশা করছি ভালো ফলন পাব। রায়পুরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বনি আমিন খাঁন বলেন, এ বছর আমণ চাষের জন্য আবহওয়া অনুকূলে থাকায় এবং রোগ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব হওয়ার পরও এ বছর আমণ ধানের উৎপাদন বেশি হওয়ার আশা করা যাচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কৃষকদের পাশে থেকে আমণ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নিবিড়ভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।



















